
নিজস্ব প্রতিবেদক :
‘আগামী তিন মাসের মধ্যে বিচারপতি অভিশংসন আইন প্রণয়ন করা হবে’ বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
মঙ্গলবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের মিডিয়া বাজার হলে জাস্টিস রিফর্ম অ্যান্ড করাপশন প্রিভেনশন (জেআসিপি) প্রজেক্ট প্রেজেন্টেশান অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
জেআসিপি প্রজেক্ট সম্পর্কে আনিসুল হক বলেন, ‘আমাদের সমাজে কেমন অপরাধ হয়, পুলিশের কাছে গেলে কোর্টের কাছে গেলে অপরাধগুলো কোন পর্যায়ে থাকে এসব বিষয় প্রজেক্টের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। প্রজেক্টের অনুসন্ধানীতে একটি ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। প্রজেক্ট তথ্য অনুযায়ী দেখা গেছে, আমাদের দেশে মাদক অপরাধ বেশি হয়। তাই ফ্যাক্ট অ্যান্ড ফিগারের দিক থেকে এটি কীভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব এ বিষয়ে আমরা বসে সিদ্ধান্ত নেব।’
তিনি আরো বলেন, ‘এটা কি আইন বাস্তবায়নের সমস্যা নাকি মেডিকেল সমস্যা সে বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে। আমি মনে করি এটা আমাদের সামাজিক সমস্যা। তাই সবাইকে বসে সমাধান করতে হবে।’
প্রজেক্টের বিষয়ে মন্ত্রী আরো বলেন, ‘প্রজেক্টের মাধ্যমে দেখা গেছে কতজন মানুষ সমস্যা সমাধানে বিচারের সম্মুখীন হন। অনেকেই তাদের সমস্যা সমাধানে বিচারের সম্মুখীন হতে চান না। সে বিষয়টিও প্রজেক্টে উঠে এসেছে।’
তিনি বলেন, ‘চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং চীফ মেট্টোপলিটন ম্যাজিট্রেট আদালতে মামলার জট বেশি রয়েছে। এ ছাড়াও বাংলাদেশের কারাগারগুলোতে ওভার পপুলেটেট অবস্থা বিরাজ করছে। যেখানে কুমিল্লা কারাগারে ধারণ ক্ষমতার চেয়েও ১৬১ ভাগ বেশি কারাবন্দি বসবাস করছে। প্রজেক্টের রিসোর্সের মাধ্যমে পুলিশের চাহিদার বিষয়টি উঠে এসেছে। আমরা সেই বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেব।’
প্রজেক্টের প্রেজেন্টেশনের সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ল’ কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক, সাংবাদিক আবেদ খান প্রমুখ।

