অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : প্রস্তাবিত ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেট পুঁজিবাজারকে আরো গতিশীল করবে বলে মনে করেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান বিচারপতি সিদ্দিকুর রহমান।
রোববার প্রস্তাবিত বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘প্রস্তাবিত ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরের বাজেটে পুঁজিবাজার সম্প্রসারণের উপর জোর দেয়া হয়েছে। এতে বাজার আরো গতিশীল হবে। একই সঙ্গে এই প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তায়নের মাধ্যমে দেশে বিনিয়োগ বাড়বে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে উত্থাপন করা বাজেটের ফলে শিল্পায়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।’
সিদ্দিকুর রহমান বলেন, পুঁজিবাজার গতিশীল করার লক্ষ্যে প্রস্তাবিত বাজেটে বিনিয়োগকারীদের জন্য ডিভিডেন্ড আয়করমুক্ত সীমা ২০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে করে ২৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। তালিকাভুক্ত ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের করের হার সাড়ে ৪২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪০ শতাংশ এবং তালিকাভুক্ত কোম্পানির করহার সাড়ে ২৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া বন্ড মার্কেট উন্নয়নের স্বার্থে ট্রেজারি বন্ড এবং ট্রেজারি বিলের সুদের ওপর উৎসে কর ৫ শতাংশ হারে কর্তনের বিধান প্রত্যাহার করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এসব প্রস্তাবনা বাজার গতিশীল হতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।’
ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক স্বপন কুমার বালা বলেন, ‘প্রস্তাবিত বাজেট পুঁজিবাজার বান্ধব হলেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা ওঠে আসেনি। এর মধ্যে ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন পরবর্তী স্টক এক্সচেঞ্জকে পাঁচ বছর শতভাগ কর অবকাশ সুবিধা দেয়ার বিষয়টি বাদ পড়েছে। বিষয়টি প্রস্তাবিত বাজেটে উত্থাপন করা হলে অবকাঠামোগত সক্ষমতা বেড়ে যেতো। পুঁজিবাজার দীর্ঘ মেয়াদী স্থিতিশীলতায় সহায়ক হতো।
তিনি বলেন, ‘ফাইনান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্ট এখনো পাস হয়নি। এটি পাস হওয়ার পর ফাইনান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল গঠনের মাধ্যমে বাজারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।’
সংবাদ সম্মেলনে ডিএসইর পরিচালক শাকিল রিজভী, খাঁজা গোলাম রসূল, শরীফ আনোয়ার হোসেন ও প্রধান রেগুলেটরি কর্মকর্তা (সিআরও) জিয়াউল হাসান খান উপস্থিত ছিলেন।

