ঢাকাSunday , 7 June 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাজেট নতুন বিনিয়োগে সহায়ক হবে: বিসিআই

Link Copied!

bciপাঞ্জেরী ডেস্ক : ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ বাজেট। বর্তমান বাজেটের আকার বড় হলেও এটি অতীত বাজেটের ধারাবাহিকতা। প্রস্তাবিত বাজেটের কারণে দেশে নতুন বিনিয়োগ এবং শিল্পায়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করে বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই)।
প্রস্তাবিত ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের উপর পর্যালোচনা করে বিসিআই থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানানো হয়।
বিসিআইয়ের প্রতিক্রিয়ায় বলা হয়েছে, বর্তমান বাজেট বরাবরের মতো দেশি শিল্পকে সুরক্ষা দেয়ার চেষ্টা করেছেন অর্থমন্ত্রী। যা দেশের শিল্প এবং বিনিয়োগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দ্রুত শিল্পায়ন তথা অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, উৎপাদন, রপ্তানি বৃদ্ধি ও বহুমুখিকরণ এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করতে দেশের সম্ভাবনাময় ৩০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এতে একদিকে দেশে সুষম শিল্প গড়ে উঠবে অন্যদিকে শহরের উপর চাপও কমতে থাকবে। তাছাড়া, বেশ কিছু পণ্যে ব্যবহৃত কাঁচামালের উপর কর হ্রাস করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশে উৎপাদিত হচ্ছে এমন পণ্য আমদানিতে নিরুৎসাহিত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের করারোপ, রপ্তানিমুখি শিল্পের জন্য বিশেষ সুবিধা, দেশীয় শিল্পের জন্য ইতিবাচক বলে মনে করে বিসিআই।
বিসিআই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করে, নতুন শিল্প স্থাপনে কর প্রণোদনা প্রদানের প্রস্তাব আছে এ বাজেটে। দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল (বেজা) ও হাই-টেক পার্কের ডেভেলপার এবং এসব অঞ্চল বা পার্কে বিনিয়োগকারীদের বিশেষ প্রণোদনা দেয়ার উদ্যোগের কথাও জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। সব ধরনের মূলধনী যন্ত্রপাতির ওপর আমদানি শুল্ক ২ শতাংশের পরিবর্তে ১ শতাংশ করা হয়েছে। এছাড়া প্রস্তাবিত বাজেটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ১৯ দশমিক ১ শতাংশ, যোগাযোগ খাতে ২২ দশমিক ৩ শতাংশ এবং মানবসম্পদ খাতে ২২ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। যা শিল্প ও বিনেয়োগের ক্ষেত্রে সহায়ক হবে।
বিসিআই আরো উল্লেখ করে, প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যক্তি করদাতার ক্ষেত্রে বিশেষ করদাতাদের অর্থাৎ মহিলা, বৃদ্ধ, প্রতিবন্ধী ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে। কিন্তু এ সব শ্রেণীর প্রকৃত সমস্যা আদৌ আয় করতে না পারা, আয় থাকা সত্ত্বেও কর না দিতে পারা নয়। এদের মধ্যে খুব কম সংখ্যকের আয় ৩ লাখ টাকা অতিক্রম করে। দেশের বৃহৎ ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর কথা বিবেচনায় এনে ব্যক্তি করদাতার ক্ষেত্রে করমুক্ত আয় ২ লাখ ৫০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৩ লাখ টাকা করা উচিৎ।
বিসিআই মনে করে, প্রস্তাবিত বাজেটে বেশ কিছু নতুন প্রস্তাবনা আছে যা প্রশংসনীয়। এগুলো হচ্ছে শিশু বাজেট, ছিটমহলবাসীদের উন্নয়নের জন্য আলাদা (২০০ কোটি টাকা) বরাদ্দ, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সমৃদ্ধি সোপান ব্যাংক, অনলাইন মার্কেটে ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওপর কর, অনুমোদনহীন বিদেশিদের নিয়োগে শাস্তি, করপোরেট ট্যাক্স অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিশেষ প্রণোদনা এবং উপজেলা ভিত্তিক কর অফিস অন্যতম।
প্রস্তাবিত বাজেটে তৈরি পোশাকসহ রপ্তানি খাতের কর অনেক বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে যা বিনিয়োগ সহায়ক হবে না। বিনিয়োগ না বাড়লে শিল্পায়ন হবে না শিল্পায়ন না হলে কর্মসংস্থান হবে না। ফলে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়া সম্ভব হবে না বলে মনে করে বিসিআই।
তারা বলে, গত অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের বর্তমান লক্ষ্য মাত্রা অর্জিত হয়নি। তারপরও প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা গত বাজেটের তুলনায় প্রায় ৩০ দশমিক ৬২ শতাংশ বেশি। অর্থাৎ নতুন বছরে বেশি দিতে হবে ৪৫ হাজার ৭২ কোটি টাকার কর। যা অর্জন করাই হচ্ছে বড় চ্যালেঞ্জ।