ঢাকাSaturday , 6 June 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

তবুও মমতার রাজকীয় অভ্যর্থনা

Link Copied!

mamtaপাঞ্জেরী ডেস্ক : মমতা বন্দোপাধ্যায় তিস্তা পানি বণ্টন চুক্তিতে অনীহা জানালেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে রাজকীয় অভ্যর্থনাই জানালেন।
সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে মমতা শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা পৌঁছান। মোদির সফরসঙ্গীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হলেন মমতা বন্দোপাধ্যায়।
এনডিটিভির খবরে বলা হয়, মমতা এয়ার ইন্ডিয়া ফ্লাইট ২৩০ যোগে ঢাকা পৌঁছান। সরকার ফ্লাইটটিকে ‘ভিআইপি’ ঘোষণা করে।
এর ফলে মমতার ফ্লাইট শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের আগে-পরে সেখানে বিমানের ওঠা-নামা বন্ধ হয়ে যায়।
‘ভিআইপি ফ্লাইট’ ঘোষণার পর বিমানের পাইলট ককপিট থেকে নেমে বলেন, ‘এই মাত্র ফ্লাইটটিকে ভিআইপি ঘোষণা করার নির্দেশনা পেয়েছেন তিনি।’
পরে রাস্তা সাড়ে ৮টায় বিমানটি শাহজালালে অবতরণ করলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তাকে অভ্যর্থনা জানান। বিমানবন্দর থেকে মমতা হোটেল রেডিসনে গিয়ে ওঠেন।
খবরে বলা হয়েছে, মমতা ঢাকা পৌঁছার পরেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে ফোন করেন এবং তাকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রী তাকে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত থেকে যাওয়ার অনুরোধ করেন।
মমতার সফরসূচি অনুযায়ী তার দু’টি অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার কথা রয়েছে। এর একটি হচ্ছে কোলকাতা-ঢাকা-আগরতলা বাস সার্ভিস উদ্বোধন। অপরটি হচ্ছে সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষর ও অনুসমর্থন হস্তান্তর অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠান দুটি শেষ করেই শনিবার বিকেলে তার ঢাকা ছেড়ে যাবার কথা। তবে মমতা আরো একদিন থাকবেন কিনা সে ব্যাপারে স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি।
জানা গেছে, মোদির সফর নিয়ে কথাবার্তার সময় তিস্তা চুক্তি হবে বলা হলেও শেষ পর্যন্ত সরকার চুক্তি স্বাক্ষর থেকে সরে আসে।
তিস্তায় মোদি সরকারের অবস্থান বদলের নেপথ্যে রয়েছে মমতার আপত্তি।
বাংলাদেশের সঙ্গে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষর নিয়ে মমতা আপত্তি জানিয়েছেন। তাকে না জানিয়ে কেন্দ্র তিস্তা নিয়ে আলোচনা করতে পারে- এমন আশঙ্কা থেকে সফরের শেষ পর্যায়ে মমতা ঢাকা না আসার সিদ্ধান্ত নেন।
পরে তার সম্মতি ছাড়া তিস্তা চুক্তি হবে না মোদি সরকারের পক্ষ থেকে এমন নিশ্চয়তা দেয়া হলেই মমতা ঢাকা আসতে সম্মত হন।
মমতা তিস্তা চুক্তি স্বাক্ষরে রাজি না হওয়ায় ঢাকায় তাকে কিভাবে অভ্যর্থনা জানানো হবে তা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে শঙ্কা ছিল। কিন্তু মমতাকে অভ্যর্থনার ক্ষেত্রে সেই আশঙ্কার ছায়া পড়েনি।
গত ফেব্রুয়ারিতে মমতা ঢাকা সফর করেন। ওই সফরে তিনি তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে চলমান বিরোধ মীমাংসায় তার ওপর ‘ভরসা’ রাখার আহ্বান জানান।
সরকারের একটি কূটনৈতিক সূত্রের বরাদ দিয়ে রিপোর্টে বলা হয়েছে, চুক্তি না হলেও মমতার ঢাকা আসাকে বড় অর্জন বলে মনে করা হচ্ছে। আগামীতে এই ইস্যুতে সুখবর মিলবে এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।