ঢাকাFriday , 5 June 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

‘ট্রান্সশিপমেন্টের’ ভারতীয় জাহাজ বন্দর ছেড়েছে

Link Copied!

shipচট্টগ্রাম প্রতিবেদক : অনেক জল্পনার অবসান ঘটিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের আগ মুহূর্তে আসা ভারতের ট্রান্সশিপমেন্টের প্রথম জাহাজ ‘ইরাবতী স্টার’ চট্টগ্রাম বন্দর ছেড়েছে।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দর ছেড়ে যায়।
বন্দরের অ্যাসিসটেন্ট ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মো. নজরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘জাহাজটি পণ্য নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে মংলা হয়ে ইয়াঙ্গুন, কলকাতার হলদিয়া বন্দর থেকে সিঙ্গাপুর হয়ে মালয়েশিয়ার পোর্ট কেলানে পৌঁছাবে।’
এর আগে মঙ্গলবার চট্টগ্রাম বন্দরের ১৩ নম্বর জেটিতে মিয়ানমারের ইয়াংগুন বন্দর থেকে ২৫০টি একক কন্টেইনারভর্তি ভারতীয় পণ্য নিয়ে ‘ইরাবতী স্টার’ নামে বিদেশি একটি জাহাজ নোঙর করে। জাহাজটি থেকে পণ্যভর্তি ৯২টি একক কন্টেইনার চট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ডে আনলোড করা হয়।
সাধারণ ভাড়া প্রদান করে ২৮ দিনের মধ্যে অন্য একটি জাহাজে করে পণ্যভর্তি এই ৯২টি কন্টেইনার ভারতের উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম বন্দর ছাড়ার কথা রয়েছে বলে বন্দর সূত্র নিশ্চিত করেছে।
বন্দরের পরিবহন বিভাগ সূত্র জানায়, ট্রান্সশিপমেন্টের ৯২টি একক কন্টেইনার ভর্তি পণ্যগুরো ‘ইরাবতী স্টার’ জাহাজটি থেকে নামিয়ে বন্দর ইয়ার্ডে রাখা এবং আবার আরেকটি জাহাজে তোলা বাবদ সাধারণ ভাড়া পাবে বন্দর। নিয়মিতভাবে ২৮ দিন পর্যন্ত সাধারণ ভাড়া দিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর ইয়ার্ড ব্যবহারের সুযোগ পাবে ট্রান্সশিপমেন্টের কন্টেইনারগুলো। এর পর থেকে বন্দর ইয়ার্ড ব্যবহার করলে নিয়মানুযায়ী অতিরিক্ত ভাড়া প্রদান করতে হবে।
স্থানীয় শিপিং এজেন্ট প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা যায়, মিয়ানমারের ইয়াংগুন বন্দর থেকে ছেড়ে আসা ‘ইরাবতী স্টার’ জাহাজটি গত মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম ২৫০টি কন্টেইনার নিয়ে বন্দরের বহির্নোঙ্গরে নোঙ্গর করে। বিকেলে বন্দরের ১৩ নম্বর জেটিতে ভিড়ে। এরমধ্যে ৯২টি কন্টেইনার ভারতের চেন্নাই, কোচিন ও নভোসেবা বন্দরে যাবে। ইরাবতী জাহাজটি হলদিয়া বন্দরে যেতে পারলেও নিয়ম অনুযায়ী চেন্নাই, কোচিন ও নভোসেবা বন্দরে যেতে পারবে না। তাই চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করে ৯২টি কন্টেইনার ট্রান্সশিপমেন্টের আওতায় অন্য একটি জাহাজে করে পণ্যগুলো সেখানে পাঠানো হবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, এক দেশের পণ্য আরেক দেশ ব্যবহার করে তৃতীয় দেশে নেওয়ার নাম ট্রান্সশিপমেন্ট। র্দীঘদিন ধরে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করে ভারতের বিভিন্ন বন্দরে পণ্য নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলে আসছিল দু’দেশেই। সম্প্রতি ভারতের লোকসভায় স্থল সীমান্ত বিল পাশ হওয়ার সময়ও ভারতের একাধিক এমপি ভারতীয় পণ্য আনা নেওয়ার ক্ষেত্রে ট্রানজিটের আওতায় চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারের সুযোগ দেয়ার জোর দাবি জানিয়েছিলেন। এরআগে চট্টগ্রাম বন্দর হয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন বন্দরে সরাসরি পণ্য আনা নেওয়া হলেও অন্য দেশ থেকে পণ্য নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করে ভারতে যাওয়ার নজির এটিই প্রথম।
ইতোমধ্যে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরে বাংলাদেশের সাথে স্থল পথে ভারতের বাস চলাচলের একটি চুক্তি হওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া সীমান্ত বিলসহ নানা অমীমাংসিত চুক্তি গুলো আলোর মুখ দেখার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে দু’দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ধারণা করা হচ্ছে, মোদির সফরকে সামনে রেখেই চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করে ভারতীয় পণ্যের ট্রান্সশিপমেন্ট করার সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।