ঢাকাThursday , 4 June 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

‘শিক্ষায় কর বসানো উচিত নয়’

Link Copied!

vc-sikandar-khanচট্টগ্রাম প্রতিনিধি : শিক্ষায় কর বসানো উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রবীণ শিক্ষাবিদ ও ইস্ট ডেল্টা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর মুহাম্মদ সিকান্দার খান।
জাতীয় সংসদে বাজেট উত্থাপনের পর দেয়া এক প্রতিক্রিয়ায় এ মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘অন্য খাতগুলোর তুলনায় শিক্ষা কম বরাদ্দ পায়। কিন্তু এবার শিক্ষায় বরাদ্দ কিছুটা বেড়েছে। এবার শিক্ষার প্রতি সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি কিছুটা পাল্টেছে। গতবারের চেয়ে শিক্ষায় বরাদ্দ ৯ শতাংশ বৃদ্ধির পরও পৃথিবীর অন্যান্য দেশের তুলনায় কম বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।’
শিক্ষায় কিভাবে কর বসানো হয় প্রশ্ন তুলে সিকান্দার খান বলেন, ‘প্রাইভেটে যারা পড়তে আসে তারা ধনীদের ছেলে মনে করে সরকার এই খাতে কর বসাতে ও বাড়াতে  চায়। শিক্ষায় কর বসানো কোনভাবেই উচিত নয়। করমুক্ত রেখে শিক্ষা ব্যবস্থাপনার দিকে সংশ্লিষ্টদের নজর দিতে হবে।’
প্রসঙ্গত ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ৩১ হাজার ৬১৮ কোটি টাকার বরাদ্দের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এর আগের অর্থবছরে শিক্ষায় প্রস্তাবিত বাজেট ছিল ২৯ হাজার ২১ কোটি টাকা। সে হিসাবে এবার ৮ দশমিক ৯৫ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে চলমান বাজেট ভাষণে এ ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
এছাড়া বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওপর কর আরোপের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। বর্তমানে ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে সংকুচিত মূল্যভিত্তিতে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (মূসক) প্রযোজ্য রয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, আমি ইংরেজি ম্যাধ্যমের স্কুলের পাশাপাশি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে মূসকের আওতায় আনার প্রস্তাব করছি। তবে করভার সহনীয় পর্যায়ে রাখার লক্ষ্যে সংকুচিত মূল্যভিত্তিতে ১০ শতাংশ মূসক নির্ধারণের প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী।
চলতি ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বাজেটের আকার ছিল দুই লাখ ৫০ হাজার ৫০৬ কোটি টাকা। আর জিডিপি প্রবৃদ্ধির (মোট দেশজ উৎপাদন) লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৩ শতাংশ। এবার মূল বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ২ লাখ ৯৫ হাজার ১০০ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১৭ দশমিক ২ শতাংশ।