লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি : সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের ১৫ হত্যাসহ ৩৭ মামলার আসামি জেলা পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী মো. নাছির (৪০) র্যাবের সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন।
সোমবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নাছির একই ইউনিয়নের দেওপাড়া গ্রামের তোফায়েল আহমদের ছেলে।
র্যাব-১১ লক্ষ্মীপুর ক্যাম্প সূত্রে জানা যায়, শীর্ষ সন্ত্রাসী নাছির ডাকাতি করার উদ্দেশে সদর উপজেলার ভবাণীগঞ্জ ইউনিয়নের ভবেরহাট এলাকায় অবস্থান নিয়েছে, এমন গোপন সংবাদে র্যাব ওই এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে নাছির ও তার সহযোগীরা র্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। জবাবে র্যাবও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এতে ২ পক্ষের বন্দুকযুদ্ধে নাছির গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। এ সময় ঘটনারস্থল থেকে ১টি এলজি, ১টি পিস্তল ও ১৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো. হুমায়ুন কবির সাংবাদিকদের জানান, নাছির একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে ১৫টি খুন, অপহরণ, ধর্ষণ, চাঁদাবাজিসহ প্রায় ৩৭টি মামলা রয়েছে।
এদিকে, জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ডাকাত নামে পরিচিতি নাছির। গত বছর চন্দ্রগঞ্জ এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব বিরোধের জের ধরে দেওপাড়া গ্রামে নাছির-জিসান বাহিনীর সঙ্গে একাধিকবার বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।
এ সময় স্কুলছাত্রসহ দফায় দফায় ৫-৬ জন নিরীহ মানুষ মারা যান। পরে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ও নাছিরকে ধরতে ব্যর্থ হয়।
এরপর জেলা পুলিশ নাছিরকে ধরিয়ে দিতে এলাকায় প্রচারপত্র বিলি করে। পরে নিজেকে বাঁচাতে সম্প্রতি ভারতে অবস্থান নেয় নাছির। কিন্তু তার প্রতিপক্ষ সোলায়মান উদ্দিন জিসান র্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হবার পর গোপনে আবার এলাকায় ফিরে আসে।

