স্বাস্থ্য ডেস্ক : গ্রীষ্মকালীন সবজি ঝিঙার পরিচয় নতুন করে দেয়ার কিছু নেই। তবে ঝিঙার স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই জানা নেই। প্রতি এক কাপ বা ২২৭ গ্রাম খাদ্য উপযোগী ঝিঙায় পাবেন আমিষ ২.২ গ্রাম, জলীয় অংশ ২১৪.৭ গ্রাম, খাদ্য আঁশ ৩ গ্রাম, খাদ্যশক্তি ৪১ কিলোক্যালরি, শর্করা ৯.৪ গ্রাম, চিনি ৩.৯ গ্রাম, ফ্যাট ২২৭ মিলিগ্রাম, ভিটামিন এ ১২৫৮ আইইউ, ভিটামিন সি ৯.২ মিলিগ্রাম, ভিটামিন ই ২৭২ মাইক্রোগ্রাম, থায়ামিন ৯৬ মাইক্রোগ্রাম, রিবোফ্লাভিন ৯২ মাইক্রোগ্রাম, নিয়সিন ০.৯৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি৬ ১৬৯ মাইক্রোগ্রাম, ক্যালসিয়াম ৩৬ মিলিগ্রাম, লৌহ ১.১ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম ৩৭ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ৭১ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ৫২৪ মিলিগ্রাম, সোডিয়াম ৩২৫ মিলিগ্রাম, জিংক ৪৬৫ মাইক্রোগ্রাম। ঝিঙায় থাকা এসব উপাদান আমাদের শরীরের অনেক উপকার করে থাকে। নানা রোগ থেকে রক্ষা করাসহ রোগপ্রতিরোধে শক্তিশালী করে তোলে। আসুন জেনে নেয়া যাক ঝিঙার কিছু উপকার সম্পর্কে।
* ঝিঙায় থাকা খাদ্যশক্তি আপনার দেহের দূর্বলতা কাটিয়ে প্রয়োজনীয় শক্তি যোগাতে সাহায্য করে।
* ঝিঙায় থাকা পর্যাপ্ত পরিমাণে জলীয় অংশ দেহের পানিশূন্যতা দূর করতে সাহায্য করে।
* এতে থাকা ভিটামিন সি এন্টিঅক্সিডেন্টকে শক্তিশালী করে। রোগ প্রতিরোধে দেহকে শক্তিশালী করে তোলে। এমনকি ক্যানসারের জীবানু প্রতিরোধেও সাহায্য করে।
* পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্যআঁশ থাকায় হজমে সহায়তা করে। গ্যাসের সমস্যাও দূর করতে সাহায্য করে।
* ঝিঙা রক্তে প্রবাহিত ক্ষতিকর কোলেস্টরেল দূর করতে সাহায্য করে।
* নিয়মিত ঝিঙা খেলে আপনার লিভার সুরক্ষিত থাকবে।
* ঝিঙায় উপস্থিত ভিটামিন এ এবং সি এর উপস্থিতি শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান বের করে দিতে সহায়তা করে।
* ঝিঙায় থাকা ফোলেট হার্ট অ্যাটাক রোধেও সাহায্য করে।
* আয়ুর্বেদ মতে ঝিঙ্গা শীতল, মধুর, পিত্তনাশক, ক্ষুধাবর্ধক।
* এটি শ্বাসের কষ্ট অর্থাৎ হাঁপানি, জ্বর, কাশি ও কৃমিরোগ উপশম করে।
* পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্যআঁশ সমৃদ্ধ ঝিঙ্গা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ও পেট পরিষ্কার করে।
* প্রায়ই বমি বমি হলে ঝিঙার পাকা বীজ তিন-চারটা নিয়ে বেঁটে এক কাপ পানি দিয়ে গুলে খেলে উপকার পাবেন।

