ঢাকাMonday , 25 May 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ছে বাংলাদেশে উৎপাদিত আলুর চাহিদা

Link Copied!

Potetoহাসান রেজা : আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশে উৎপাদিত আলুর চাহিদা বাড়ছে। সেই সাথে সম্প্রসারিত হচ্ছে আলুর রপ্তানি বাজার। এ বিষয়টিকে বিবেচনায় নিয়ে সরকার মানসম্মত আলু চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করতে বেশকিছু উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আলু এখন দেশের অন্যতম অর্থকরী ফসল। মাধ্যম হয়ে উঠেছে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনেরও।

কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক বছর ধরে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও শ্রীলংকায় সবচেয়ে বেশি আলু রপ্তানি হয়। চলতি বছর সবচেয়ে বেশি আলু রপ্তানি হয়েছে নেপালে। এ ছাড়া প্রতি বছর স্বল্প পরিসরে কাতার, কানাডা, ব্রুনাই, মিয়ানমার, ওমান, বাহরাইন, কম্বোডিয়া, কুয়েত ও ভিয়েতনামে আলু রপ্তানি হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভারত ও পাকিস্তানে এবার আলুর ফলন কম হয়েছে। রাশিয়া ও ইউরোপের কয়েকটি দেশে আলু রফতানি হতো মিসর থেকে। কিন্তু দেশটি বর্তমানে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে আলু রফতানি করতে পারছে না। এ কারণে চলতি বছর আলু রফতানির জন্য বাংলাদেশের নাম শীর্ষে রয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ উইং হতে পাওয়া তথ্যমতে, চলতি অর্থবছরে গত ১৫ মে পর্যন্ত বিশ্বের ১৮টি দেশে ৯১ হাজার ৫শ’ ৬৯ মেট্রিক টন আলু রপ্তানি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি আলু রপ্তানি হয়েছে বর্তমানে ভূমিকম্প বিধ্বস্ত দেশ নেপালে। দেশটিতে ৩৪ হাজার ৮শ’ ১৮ মেট্রিক টন আলু রপ্তানি হয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পরিমাণ আলু রপ্তানি হয়েছে মালয়েশিয়ায়, দেশটিতে চলতি অর্থবছরে ২৫ হাজার ৫শ’ ৪০ মেট্রিক টন আলু রপ্তানি হয়েছে। তৃতীয় সর্বোচ্চ পরিমাণ আলু রপ্তানি হয়েছে রাশিয়ায়; দেশটিতে ১৪ হাজার ৫শ’ ২১ মেট্রিক টন আলু রপ্তানি হয়েছে। ৬ হাজার ৭শ’ ৬৫ মে. টন আলু রপ্তানি হয়েছে শ্রীলংকায়। ৪ হাজার ৫শ’ ৫৬ মে. টন আলু রপ্তানি হয়েছে সিঙ্গাপুরে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২ হাজার ২শ’ ৭৩ মে. টন, সৌদি আরবে ৬৩২ মে. টন, ইন্দোনেশিয়ায় ২৯২ মে. টন, ওমানে ৮২ মে. টন, কাতারে ১২৪ মে. টন, বাহরাইনে ৩৬ মে. টন, কুয়েতে ৫৪ মে. টন, কানাডায় ৩ মে. টন, মায়ানমারে ৪৪ মে. টন, ব্রুনাইয়ে ১১০ মে. টন, ভিয়েতনামে ৩২২ মে. টন, কম্বোডিয়ায় ২০ মে. টন এবং পাকিস্তানে ১ হাজার ৩শ’ ৭৮ মে. টন আলু রপ্তানি হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, বর্তমান সরকারের সুষ্ঠু ও সঠিক কৃষিনীতির কারণে বর্তমানে দেশীয় চাহিদা পূরণ করে চালসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য রপ্তানি হচ্ছে। তারা বলেন, আলুর উৎপাদন পর্যায় হতে জাহাজিকরণ পর্যন্ত প্রক্রিয়াকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা গেলে আলু রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিপ্লব ঘটাতে সক্ষম হবে।