নিজস্ব প্রতিবেদক : কোটি টাকা চাঁদার দাবিতে ফায়েকুজ্জামান নামে এক ব্যবসায়ী ও প্রথম শ্রেণীর ঠিকাদারকে হত্যার হুমকি প্রদান করা হয়েছে। এব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী,স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, পুলিশের আইজি, র্যাব মহাপরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভূক্তভোগি ব্যবসায়ী আলহাজ্ব কে এম ফায়েকুজ্জামান। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, খন্দকার বিজনেস ইন্টারন্যাশনাল এর স্বত্বাধিকারী গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার ভাটরা গ্রামের বাসিন্দা আলহাজ্ব কে এম ফায়েকুজ্জামান দীর্ঘ ২৫বছর যাবৎ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ের অধীনস্ত অধীদপ্তরে প্রথম শ্রেণীর ঠিকাদার হিসেবে সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। কৃষি মন্ত্রনালয়ের অধীন বিএডিসির আওতায় সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভপুর উপজেলার মিছাখালী নদীর উপর ২২০ মিটার দীর্ঘ এশিয়া মহাদেশের ২য় বৃহত্তম রামার ড্যাম নির্মান কাজ শুরুর পর থেকেই একই উপজেলার বাকগাও গ্রামের মৃত হাজী আব্দুল মালেকের পুত্র সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ জিল্লুর রহমান বাজার মুল্যের অধীক দামে নির্মান সামগ্রী বালু পাথর সিঙ্গেল পাথরসহ অন্যান্য নির্মান সামগ্রী তার কাছ থেকে নিতে বাধ্য করে। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে সরবরাহকৃত মালামালের অতিরিক্ত টাকা জোরপূর্বক আদায় করে নেয়। গত ৬মে প্রকল্পের পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে নিয়ে ব্যবসায়ী আলহাজ্ব কে এম ফায়েকুজ্জামান প্রকল্প সাইটে গেলে সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ জিল্লুর রহমান তার মোবাইলে ১কোটি টাকা চাঁদা দাবি করে। এক পর্যায় ওই দিন রাত ১১টায় সন্ত্রাসী জিল্লুর রহমানের নেতৃত্বে তার ছেলে মো. জামাল ও মো. কামালসহ ১০/১২জন অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসী স্বশরীরে হাজির হয়ে ব্যবসায়ী ফায়েকুজ্জামানকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে প্রান নাশের হুমকি দেয়। উপায়ন্তর না পেয়ে দ্রুত তিনি বিশ্বম্ভপুর থানার ওসিকে ফোন দেন। ওসি দ্রুত ফোর্স পাঠিয়ে পুলিশ পাহাড়ায় তাকে থানায় নিয়ে আসেন। পরে ব্যবসায়ী ফায়েকুজ্জামান বিশ্বম্ভপুর থানায় একটি সাধারন ডাইরি করেন। সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ জিল্লুর রহমান এক কোটি টাকা চাঁদার দাবিতে ব্যবসায়ী ফায়েকুজ্জামান এর মুঠোফোনে অহরহ প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করিতেছে। বর্তমানে ব্যবসায়ী ফায়েকুজ্জামান চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন। তিনি প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ব্যাপারে জিল্লুর রহমান এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেন।

