পাঞ্জেরী ডেস্ক
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন তীব্র ইহুদিবিদ্বেষী হিসেবে আত্মপ্রকাশকারী দেশ জার্মানির বর্তমান প্রেক্ষাপট অনেকটাই বদলে গেছে। দেশটির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মের্কেল রাজধানী বার্লিনের এক সমাবেশে বলেছেন, ‘ইহুদিবিরোধী মনোভাবের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা প্রত্যেক জার্মানের কর্তব্য।’
জার্মানিতে ইহুদিবিরোধী মনোভাবের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে উঠে মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী সময়ে। ঐ যুদ্ধে জার্মান নাজি বাহিনীর হাতে প্রায় ষাট লাখ ইহুদি ধর্মাবলম্বী নৃশংসভাবে নিহত হন।
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় আগ্রাসন চালানোর কারণে বিশ্বময় ইহুদি বিদ্বেষ আবার নতুন মাত্রা পেতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এ ব্যাপারে মের্কেল সহনশীল মনোভাবপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
বার্লিনের ব্রান্ডেরবার্গ গেইটের কাছে ইহুদিপন্থীদের এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। আগতদের হাতে ব্যানারে শোভা পাচ্ছিল ‘ইহুদিদের প্রতি ঘৃণা- কখনও নয়।’ বিশ্ব ইহুদি সংঘ (WJC) এর সম্মেলনকে কেন্দ্র করে এ সমাবেশ গড়ে ওঠে।
চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মের্কেল বলেন, জার্মানিতে বসবাসকারী প্রায় ১ লাখ ইহুদি দেশের ‘জাতীয় সম্পদ’। ইহুদিরা এখানে বন্ধু, প্রতিবেশি, সহকর্মী এবং একবাড়িতে বসবাসকারী সহমর্মীও বটে। তার কথায় আন্দোলিত হন সমবেত প্রায় ৫০০০ ইহুদি।
প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ্য, চলতি বছরের জুলাই মাসে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের তীব্র বোমাবর্ষণের প্রতি নিন্দা জানিয়ে একটি ফিলিস্তিনপন্থী র্যালি বরে করেছিল জার্মান ইহুদিদের একটি সম্প্রদায়। এর শিরোনাম ছিল- ‘ঘৃণার অশুভ ও সহিংস প্রকাশের বিপক্ষে।’

