পাঞ্জেরী ডেস্ক
বহুদিন ধরে রাশিয়া রুশপন্থীদের কাছে অস্ত্র চালান করছে বলে অভিযোগ করে আসার পর এবার ইউক্রেনে অস্ত্রের চালান পাঠিয়ে পাল্টা জবাব দিতে চাইছে ন্যাটো। উদ্দেশ্য রাশিয়ার অস্ত্র ব্যবহার করে অবস্থান তৈরি করতে থাকা রুশপন্থীদের শায়েস্তা করা।
ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভ্যালেরি হেলেতেই এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু বলতে অপারগতা জানিয়েছেন, সুতরাং জানা যায়নি ন্যাটোভুক্ত কোন কোন দেশ এ অস্ত্রসমূহ সরবরাহ করছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ পাঁচ ন্যাটো সদস্য এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিক মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছে।
ইউক্রেনের সেনাদলের কাছে ন্যাটোর অস্ত্র পাঠানোর বিষয়টিকে ইতিবাচকভাব দেখছেন ইউক্রেনীয় প্রধানমন্ত্রী আর্সেনি ইয়াৎসেনিয়াক। তিনি বলেন, ‘ন্যাটো এভাবে পাশে দাঁড়াক, এটাই রাশিয়ার হাত থেকে দেশকে বাঁচানোর একমাত্র পন্থা।’
সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের অঙ্গরাজ্য ওয়েলসে অনুষ্ঠিত ন্যাটোর সম্মেলনে নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক মতবিনিময় সভায় মিলিত হয়েছিলেন ভ্যালেরি হেলেতেই। অস্ত্র পাঠানোর বিষয়টি সেখানেই উত্থাপিত ও অনুমোদিত হয়। তবে কোন কোন দেশ এটির সঙ্গে জড়িত অনিবার্য কারণে তা গণমাধ্যমকে বলতে নারাজ এই মন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘কাদের সঙ্গে আমার এ চুক্তি হয়ে তাদের নাম প্রকাশ করার কোন অধিকার আমার নেই। সত্য যা তা হলো অস্ত্রগুলো পথে আছে এখন আসছে, এটা একেবারেই দাপ্তরিকভাবে আপনাদের নিশ্চিত করতে পারি।’ অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পরমাণু অস্ত্র সংক্রান্ত কোন আলাপ হয়নি। আরও বলেন, পরমাণু ইস্যু ভবিষ্যত নিয়ন্ত্রণ করবে না।
অপরদিকে ন্যাটোর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ইউক্রেন ন্যাটের সদস্য নয় এবং এমন অবস্থায় সংস্থার পক্ষ থেকে তাদের কোন ধরনের মারণাস্ত্র সরবরাহ করার পরিকল্পনা ন্যাটোর নেই। তবে কোন রাষ্ট্র পৃথকভাবে চাইলে তা পাঠাতে পারে। এদিকে ইতালি, পোল্যান্ড এবং নরওয়ের প্রতিরক্ষা বিভাগ কোন অস্ত্র পাঠানোর পরিকল্পনার সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছে।

