নিজস্ব প্রতিবেদক
গত বছর হজ ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের দায়ে ২০৮টি ট্রাভেল এজেন্সির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। জাতীয় হজ নীতির আলোকে এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
সোমবার দশম সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদকে এ তথ্য জানান ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান। মুহিবুর রহমান মানিক (সুনামগঞ্জ-৫) তাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘অনিয়মের দায়ে ৮টি এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। ৫ লাখ টাকা করে ৫টি এজেন্সিকে, ৪ লাখ টাকা করে ৫টি এজেন্সিকে, ৩ লাখ টাকা করে ১৭টি এজেন্সিকে এবং আড়াইলাখ টাকা ৯টি এজেন্সিকে জরিমানা করা হয়।’
কর্তৃপক্ষকে তথ্য না দেয়া এবং বাড়ি পরিদর্শনে সহায়তা না করার দায়ে ১২১টি হজ এজেন্সিকে দেড় লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়। জরিমানাসহ বিভিন্ন মেয়াদে লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছে ৫টি এজেন্সির। এছাড়াও সৌদি সরকারের অভিযোগের ভিত্তিতে জরিমানাসহ ২০টি এজেন্সির লাইসেন্স স্থগিত ও ১৮টি এজেন্সিকে জরিমানা ছাড়া লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী।
মাহফুজুর রহমানের (চট্টগ্রাম-৩) প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘এ বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ গাইডসহ ১৫০৫ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৯৮ হাজার ৭১০ জন হজ করতে সৌদি যাবেন। সরকারি ব্যবস্থাপনায় দুটি প্যাকেজে হজ যাত্রী পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এরমধ্যে প্যাকেজ- ১ এ টাকার পরিমান ৩লাখ ৫৪ হাজার ৩১৬ টাকা ও প্যাকেজ-২ এ টাকার পরিমাণ হচ্ছে ২ লাখ ৯৫ হাজার ৭৭৬ টাকা।’
‘বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ যাত্রীদের টাকার পরিমাণ যার যার এজেন্সির প্যাকে অনুযায়ী হলেও ২ লাখ ৯৫ হাজার টাকার কমে নয়’ বলেও জানিয়েছেন অধ্যক্ষ মতিউর।
সানজিদা খানমের (মহিলা-২৪) প্রশ্নের বিপরীতে ‘দেশের বর্তমানে ২ লাখ ৫০ হাজার ৩৯৯টি মসজিদ’ রয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। আপাতত বিদেশি সহায়তায় কোন মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা নেই বলেও জানান তিনি।

