ঢাকাSunday , 30 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাংলাদেশ-চীন কূটনীতি ও প্রতিরক্ষা সংলাপ শুরুর প্রস্তুতি

Link Copied!

বাংলাদেশ ও চীন শিগগির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পর্যায়ে কূটনীতি ও প্রতিরক্ষা সংলাপ শুরু করতে যাচ্ছে। একই সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে কৌশলগত সংলাপ দ্রুত চালুর বিষয়েও দুই দেশ আলোচনা করেছে।

রোববার (৩০ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব বিষয়ে আলোচনা করেন।

বৈঠকে হুমায়ুন কবির চীনকে বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু ও মূল্যবান কৌশলগত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বাংলাদেশের ‘এক চীন নীতি’র প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের পর বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক ‘ভাগাভাগি ভবিষ্যৎ নিয়ে চীন-বাংলাদেশ কমিউনিটি’ পর্যায়ে উন্নীত হওয়ায় এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নতুন গতি সঞ্চার হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী।

চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ায় হুমায়ুন কবিরকে অভিনন্দন জানান। বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে প্রতিমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। এ সময় চীনের নির্বাহী উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষ থেকেও হুমায়ুন কবিরকে শুভেচ্ছা জানান রাষ্ট্রদূত।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক চীন সফরের বিভিন্ন ফলাফল নিয়েও আলোচনা হয়। এর মধ্যে রয়েছে চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের (সিইআইজেড) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে বাণিজ্যিক চুক্তি সই এবং মোংলা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) প্রতিষ্ঠায় সম্ভাব্য সহযোগিতা।

রাষ্ট্রদূত জানান, সিইআইজেডে প্রায় ৩০টি চীনা প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করতে পারে। এতে আনুমানিক ৫০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ এবং স্থানীয় বাংলাদেশিদের জন্য প্রায় এক লাখ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

বৈঠকে তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার, পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে কৌশলগত সংলাপ দ্রুত শুরু এবং প্রতিমন্ত্রী পর্যায়ে কূটনীতি ও প্রতিরক্ষা সংলাপ শুরুর বিষয়েও আলোচনা হয়।

এছাড়া বাংলাদেশ থেকে চীনে কাঁঠাল ও পেয়ারা রপ্তানি শুরুর প্রক্রিয়া, চীন-বাংলাদেশ-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডোর এবং রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়।

রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বাংলাদেশ ও চীনের আসন্ন উচ্চপর্যায়ের সফর ও যোগাযোগের বিষয়েও প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করেন। এর মধ্যে চায়না ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন এজেন্সির (সিআইডিসিএ) ভাইস প্রেসিডেন্ট, চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের (আইডিসিপিসি) মন্ত্রী এবং ইউনান প্রদেশের নির্বাহী ভাইস গভর্নরের বাংলাদেশ সফরের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করা হয়।

এ সময় হুমায়ুন কবিরকে আগামী অক্টোবরে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানান চীনের রাষ্ট্রদূত ।
রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান এসব তথ্য জানান।