ঢাকাMonday , 24 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সংস্কৃতি-পর্যটন উন্নয়নে একক নীতিমালা, হচ্ছে দুই মন্ত্রণালয়ের যৌথ কমিটি

Link Copied!

বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত করে এ খাতের উন্নয়নে একক নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করে দুই মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে যৌথ কমিটি গঠনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সচিবালয়ে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সভায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আমরা আজ একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলাম। এই সভায় আমরা প্রেজেন্টেশন দিলাম, সেই প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে আমরা চাই পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটা এমওইউ করা। এটা বাইন্ডস (আবদ্ধ) করা; যে বাইন্ডসের মাধ্যমে আমরা দুই মন্ত্রণালয়ের যৌথ কমিটি গঠন করে সাংস্কৃতিক পর্যটনের জন্য একক নীতিমালার কার্যক্রম গ্রহণ করা। সেই প্রেক্ষিতেই আজ আমাদের এখানে আসা।

মন্ত্রী বলেন, আমি এরই মধ্যে কয়েকদিন আগেই মালয়েশিয়ায় গিয়েছিলাম, সেখানে ট্যুরিজম অ্যান্ড কালচার মিনিস্টারের সঙ্গে আমরা দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করে এসেছি। তাদের যে যে স্থাপনাগুলো যেভাবে মেইনটেইন করে, পর্যটন এবং কালচার-এটা নিয়ে যেভাবে তারা কাজ করে, সেই কাজগুলোই করার জন্য আমরা একটা প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।

তিনি বলেন, আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে আজ যে প্রেজেন্টেশন দেওয়া হলো, এই প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে একটা জিনিস কনফার্ম করতে চাই যে আমাদের পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হবে।

তিনি বলেন, এমওইউ করে আমরা কাজ শুরু করতে চাই। যেহেতু আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তিনি এই বিষয়ে অত্যন্ত আগ্রহী যে আমাদের এই সংস্কৃতি ধরে রাখার জন্য এবং পর্যটন খাতকে উন্নত করার জন্য। বর্তমানে পর্যটন খাতে আমরা ২ থেকে ৩ শতাংশ জিডিপি অর্জন করতে পারি, সেটা আমাদের দুই মন্ত্রণালয়ের সম্পৃক্ততায় আমার কাছে মনে হয় তার যে আশা, ৭ থেকে ৮ পার্সেন্টে আমাদের জিডিপি উন্নতি করা, এ কারণেই আমাদের এই প্রাথমিক পর্যায়ে আজকের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া।

মন্ত্রী বলেন, প্রথমে যে ঐতিহ্যবাহী জমিদার বাড়িগুলো আছে অথবা কক্সবাজার থেকে বৌদ্ধ নিদর্শন, ময়নামতী পর্যন্ত আমরা প্রথম পর্যায়ে বেছে নেবো, এরপর পর্যায়ক্রমে এক এক করে আমরা এই প্রসার ঘটাবো।

এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, যদি পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় একসঙ্গে কাজ করে, তাহলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যে আশা- আমাদের জিডিপি ৭ থেকে ৮ পার্সেন্টে উন্নতি করা, সেটা সম্ভব হবে। আমি মনে করি যে আজকের এই উদ্যোগ অত্যন্ত সুফল বয়ে আনবে।

এ সময় সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, শুধু পর্যটন নিয়ে অনেক দেশ, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দেশ, তারা কিন্তু পৃথিবীতে এখন মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। যেমন থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম ও মালদ্বীপ কিন্তু পর্যটন নিয়ে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। আমাদের পর্যটন এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় যে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত রয়েছি, আমরা চাচ্ছি আমাদের ঐতিহ্যটাকে তুলে ধরে পৃথিবীর সামনে আমরা প্রমাণ করতে চাই যে আমরাই শ্রেষ্ঠ। আমরা বাঙালি জাতি, আমাদের দেশ, আমাদের এশিয়া প্যাসিফিক পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ।

এ সময় সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রধানমন্ত্রীর সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানসহ দুই মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।