ঢাকাSunday , 16 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পাটুরিয়ায় ওয়াই-টাইপ সেতুর ফিজিবিলিটি স্টাডির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

Link Copied!

পাটুরিয়া থেকে কাজীরহাট যাবে এবং আরেকটি যাবে দৌলতদিয়া, এই ওয়াই-টাইপের ব্রিজটির ফিজিবিলিটি স্টাডির নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খান রিতা।

রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের অনুষ্ঠানের সভা শেষে উন্নয়ন সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বিমানমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া নির্দেশ সরকারি কর্মকর্তারা যার যার এলাকার যার যার চেয়ারে বসে কাজগুলো সম্পূর্ণ করতে হবে। এটা ওনার কড়া নির্দেশ।

মন্ত্রী বলেন, যার যার যেখানে যে কাজ আছে, সেই কাজ তার দায়িত্বে বসে কঠিনভাবে করতে হবে। যারা কন্ট্রাক্টরের কাজ তুলে নাই, তাদেরকে এনে আপনারা তাদের শাস্তির ব্যবস্থা করবেন। কারণ এটা তো জনগণের কষ্ট হচ্ছে, এলাকার মানুষ হাঁটতে পারছে না, স্কুলের বাচ্চারা স্কুলে যেতে পারছে না। এই টেন্ডার নিয়ে তারা অর্ধেক করে আর অর্ধেক ফেলে চলে গেছে, তাদের কোনো খবর নাই। এটা ডিসি সাহেব, আপনি এটা শক্তভাবে ধরবেন। হয় তারা কাজ করবে, নয়তো তাদের একদম ব্ল্যাকলিস্টেড করে দেবেন। তারা যেন জীবনে না আসতে পারে এবং আমাদের সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার কিন্তু কাজ করে যাচ্ছে, বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় মানুষের জন্য প্রচণ্ডভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমি শুধু মানিকগঞ্জের কথাই বলি, এই মানিকগঞ্জ সদরে এই পাঁচ মাসে ১০০ কোটি টাকা উন্নয়নের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মানিকগঞ্জ সদরের চারটা ব্রিজ নির্মাণে ৩০০ কোটি টাকার বরাদ্দ, এটাও প্রক্রিয়াধীন আছে।

তিনি জানান, মানিকগঞ্জ জেলার এলজিইডির মাধ্যমে রাস্তা ও ব্রিজ নির্মাণে ৪০০ কোটি টাকার বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। আর মানিকগঞ্জে দুইটা উপশহর নির্মাণ করা হবে। আমরা অলরেডি গজারিয়াতে নির্মাণের জায়গা দেখেছি তা উপশহর করার জন্য।

আফরোজা খান রিতা বলেন, এই যে এতগুলো কাজ, এই কাজগুলি যখন আসবে তখন কিন্তু মানুষের কর্মসংস্থানের আর অভাব থাকবে না। অনেক লোকের কিন্তু কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়ে যাবে। অতএব এই কাজগুলো করতে হলে যার যার জায়গা থেকে সকলেই সহযোগিতা করবেন। বরাদ্দ সরকার থেকে আসে, সেগুলো যদি ফিরে যায়, এর থেকে দুঃখের কিছু আর থাকবে না।

মন্ত্রী বলেন, আগামীতে আবার যখন আসবো, তখন আমি বুঝতে পারবো আজকে যে অর্ডারগুলো দিয়ে গেলাম, সেটা আপনারা কতটুকু প্রগ্রেস করেছেন। যদি না হয়, তাহলে কিন্তু আমার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, আমি কিন্তু কঠিন ব্যবস্থা নেব।

এ সময় তিনি মৎস্য সপ্তাহের অনুষ্ঠানের বর্ণাঢ্য র‍্যালিতে যোগদান করেন এবং জেলা পরিষদের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা, জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট জামিলুর রশিদ খান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম, সিভিল সার্জন ডা. আইভি ফেরদৌসসহ জেলার সরকারি দপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তারা।