ঢাকাTuesday , 21 April 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পরও লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

Link Copied!

যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পরও লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের অন্তত ৩৯টি গ্রামে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ঘরবাড়ি ধ্বংস ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ জানিয়েছে বৈরুত। নাবাতিয়েহ অঞ্চলে বিমান হামলায় অন্তত ছয়জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ইসরায়েলের দাবি, হিজবুল্লাহর স্থাপনা লক্ষ্য করে অভিযান চালাচ্ছে তারা।

যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর ধীরে ধীরে দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন গ্রামে ফিরতে শুরু করেছেন বাস্তুচ্যুত মানুষজন। অনেক পরিবার দীর্ঘদিন পর নিজেদের ঘরবাড়ির ধ্বংসস্তূপে ফিরে গিয়ে শুধুই ক্ষতির চিহ্ন দেখছে। কেউ কেউ সামান্য জিনিসপত্র উদ্ধার করতে এলেও নিরাপত্তা শঙ্কায় রাতে আর থাকছেন না।

স্থানীয়রা বলছেন, বহু ঘরবাড়ি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। আবার অনেক এলাকা এখনো অনিরাপদ থাকায় পুনর্বাসন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। যুদ্ধ থেমেছে বলা হলেও, বাস্তবে মানুষের স্বাভাবিক জীবনে ফেরা এখনও অনেক দূরের পথ বলেই মনে করেন অনেকে।

যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে দক্ষিণ লেবাননে ধারাবাহিক হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল– এমন অভিযোগ করেছেন বৈরুতের একজন জ্যেষ্ঠ রাজনীতিক। তার তথ্য অনুযায়ী, অন্তত ৩৯টি গ্রামে বিস্ফোরণে বেসামরিক ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

একই সময়ে নাবাতিয়েহ অঞ্চলের কাকাআইত আল জিসর এলাকায় বিমান হামলায় কয়েকজন আহত হওয়ার খবর দিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা। অবকাঠামো ও আবাসিক ভবন লক্ষ্য করে এই আঘাতে স্থানীয় জনজীবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

অন্যদিকে পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় হিজবুল্লাহও ইসরায়েলের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও, সীমান্তজুড়ে পাল্টাপাল্টি আঘাত অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলে বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণ ও গোলাবর্ষণের ঘটনা ঘটছে যা পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলছে।

কূটনৈতিক তৎপরতাও চলছে সমান্তরালে। লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে নতুন দফা বৈঠকের উদ্যোগ নিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর, যেখানে ওয়াশিংটনে আবারও আলোচনায় বসার কথা রয়েছে দুই পক্ষের প্রতিনিধিদের। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন নতুন প্রতিনিধি নিয়োগ দিয়ে এই আলোচনায় সার্বভৌম অবস্থান জোরদারের চেষ্টা করেছেন বলে জানা গেছে।

ইসরায়েলের আইডিএফ দাবি করছে, তারা দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর অবকাঠামো লক্ষ্য করেই অভিযান চালাচ্ছে এবং নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলায় তাদের উপস্থিতি অব্যাহত থাকবে। আর হিজবুল্লাহ বলছে, ইসরায়েলের এই হামলা সরাসরি যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন এবং এর জবাব দেওয়া হবে একইভাবে। উভয় পক্ষের এমন অবস্থান চলমান উত্তেজনাকে আরও দীর্ঘায়িত করার ইঙ্গিত দিচ্ছে।