ঢাকাMonday , 20 April 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পাকিস্তানের পথে জেডি ভ্যান্স, এখনো সাড়া নেই ইরানের

Link Copied!

ইরানের সঙ্গে সংঘাত নিরসনে এবং সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা ফের শুরু করতে মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল পাকিস্তানের পথে রয়েছে। তবে তেহরান জানিয়েছে, পরবর্তী দফার আলোচনার জন্য তাদের এখনো কোনো পরিকল্পনা নেই।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিশ্চিত করেছেন, তার প্রতিনিধি দলটি এরই মধ্যে রওয়ানা হয়েছে।

এই দলে জেডি ভ্যান্স ছাড়াও রয়েছেন মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের উপদেষ্টা ও জামাতা জ্যারেড কুশনার।
নিউইয়র্ক পোস্ট জানিয়েছে, আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পাকিস্তানে পা রাখবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলটি।

ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা আলোচনার টেবিলে বসতে চাই। আমি মনে করি, এই মুহূর্তে কেউ কোনো লুকোচুরি খেলছে না।’ আলোচনা সফল হলে তিনি ইরানের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাতের আগ্রহও প্রকাশ করেছেন।

ইরানের অবস্থান ও অভিযোগ
ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনার খবর নাকচ করলেও পর্দার আড়ালে কিছুটা নমনীয় হওয়ার আভাস মিলেছে। এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তারা মার্কিন শান্তি আলোচনায় অংশগ্রহণের বিষয়টি ‘‘ইতিবাচকভাবে পর্যালোচনা’ করছেন, যদিও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত এখনো নেওয়া হয়নি।

অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বেশ কিছু অভিযোগ তুলেছেন। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র বেশ কিছু পদক্ষেপের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ইরানি কার্গো জাহাজে মার্কিন হামলা, ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌ-অবরোধ ও লেবাননে যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে বিলম্ব।

আগামী বুধবার (২২ এপ্রিল) বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। তার আগেই এই আলোচনা শুরু হওয়া জরুরি বলে মনে করছেবন বিশ্লেষকেরা।

এর আগে, গত সপ্তাহে জেডি ভ্যান্স ইসলামাবাদে ২১ ঘণ্টার দীর্ঘ ম্যারাথন আলোচনা করেছিলেন, যা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়। তার অভিযোগ, ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি ত্যাগ করতে অস্বীকার করায় গত দফার আলোচনা সফল হয়নি।

পাল্টা জবাবে ইরানি প্রতিনিধিরা দাবি করেন, বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের আরও অনেক কিছু করার বাকি আছে।