ঢাকাWednesday , 18 March 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বগুড়ায় নীলসাগর এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, তদন্তে চার সদস্যের কমিটি

Link Copied!

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার ছাতিয়ানগ্রামে ঢাকা থেকে নীলফামারীগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের নয়টি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে অন্তত অর্ধশত যাত্রী আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর থেকে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

রেলওয়ে ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দুপুর ২টার দিকে সান্তাহার স্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরই ছাতিয়ানগ্রাম এলাকায় ট্রেনের বগিগুলো লাইনচ্যুত হয়। ট্রেনের ছাদে অতিরিক্ত যাত্রী থাকায় বগিগুলো হেলে পড়ার সময় অনেকেই ছিটকে নিচে পড়ে আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় নওগাঁ সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করেছেন সান্তাহার রেলওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহফুজুর রহমান ও স্টেশন মাস্টার খাদিজা খাতুন।

আরও পড়ুন

নাগরিকত্বের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সন্তান জন্ম দেওয়া অনুমোদিত নয়

দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে চার সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্য ও বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী আহমেদ হোসেন মাসুম জানান, কমিটিতে রেলওয়ের চিফ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, চিফ সিগন্যাল ইঞ্জিনিয়ার এবং চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট রয়েছেন।

প্রাথমিক ধারণা সম্পর্কে তিনি বলেন, ইনিশিয়ালি মনে হচ্ছে সিগন্যাল নিয়ে একটা ভুল-বোঝাবুঝি হয়ে থাকতে পারে। লোকো মাস্টার হয়তো সিগন্যাল পাননি অথবা প্রপারলি ফলো করেননি। তবে তদন্ত শেষেই প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

উদ্ধার কাজের বিষয়ে আহমেদ হোসেন মাসুম আরো জানান, পাবনার ঈশ্বরদী ও দিনাজপুরের পার্বতীপুর থেকে দুটি রিলিফ ট্রেন দুর্ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। রিলিফ ট্রেন পৌঁছানোর পর উদ্ধার কাজ পুরোদমে শুরু হবে এবং আশা করা যাচ্ছে সারারাতের মধ্যে লাইন সচল করা সম্ভব হবে। তবে বগুড়া রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার সাজেদুর রহমান জানান, ট্রেন চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বগুড়া জেলা পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ।

তিনি বলেন, যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে এবং নিরাপত্তার খাতিরে জেলা পুলিশ সব ধরনের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত আছে। আমরা আশা করছি দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই লাইন সচল হবে।

রেল যোগাযোগ বন্ধ থাকায় সান্তাহারসহ বিভিন্ন স্টেশনে আটকে পড়া যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। লাইনচ্যুত বগিগুলো সরিয়ে রেল চলাচল স্বাভাবিক করতে কাজ করে যাচ্ছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।