ঢাকাThursday , 19 February 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মোংলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের দায়সারা অভিযান: রমজানে দ্রব্যমূল্য ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণে

Link Copied!

পবিত্র রমজানের প্রথম দিনে মোংলা পৌর শহরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নওসীনা আরিফের নেতৃত্বে এ অভিযানে ৫ জন ব্যবসায়ীকে মাত্র ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এই যৎসামান্য জরিমানায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে হাস্যরসের পাশাপাশি তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে এটিকে ‘লোক দেখানো’ বা ‘দায়সারা’ অভিযান বলে আখ্যায়িত করছেন।
জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা ১৯ (ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এ অভিযান চালানো হলেও, রমজান শুরুর আগে বাজার মনিটরিং বা দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে উপজেলা প্রশাসনের কোনো উল্লেখযোগ্য ভূমিকা দেখা যায়নি। রমজান শুরু হতেই নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বেসামালভাবে বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, মাত্র ৫টি দোকানে ৬ হাজার টাকা জরিমানা কোনোভাবেই যথেষ্ট নয়। এটি কাগজে-কলমে অভিযান দেখানোর জন্যই করা হয়েছে। জরিমানার পরপরই ব্যবসায়ীরা দাম নিয়ন্ত্রণে রাখছেন না। তারা মনে করেন, শুধু এক-দুই দোকান নয়—সব ধরনের দোকানে ব্যাপক অভিযান চালিয়ে অধিক হারে জরিমানা করা উচিত। তাহলেই ব্যবসায়ীদের মনে ভয়ের সঞ্চার হবে এবং ক্রেতারা সত্যিকার অর্থে উপকৃত হবেন।
ক্রেতাদের অভিযোগ, রোজার আগে বেগুনের দাম ছিল ৩০ টাকা কেজি, এখন ৮০ টাকা—দ্বিগুণেরও বেশি। ১০০ টাকার খেজুর বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়, আর ৭০০ টাকার খেজুর ১,৩০০ টাকায়। টমেটো ৩০ টাকা থেকে ৬০ টাকা, শসা ৪০ টাকা থেকে ১০০ টাকা হয়েছে। সবজি, ফল, মাছ ও মুদি পণ্যের দামই অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে।
অভিযান পরিচালনাকারী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নওসীনা আরিফ জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে কলার আড়তসহ ৫টি দোকানে অভিযান চালিয়ে ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার ধারা, সর্বোচ্চ-সর্বনিম্ন সীমা ইত্যাদি প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “ভোক্তা অধিকার আইন দেখেন।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার সুমি বলেন, জেলা প্রশাসকের দেয়া তথ্য অনুযায়ী শহরে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, এই আইনের সর্বোচ্চ সীমা প্রয়োগ না করে নামমাত্র জরিমানা দিয়ে অভিযানকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে। স্থানীয়রা আরও কঠোর ও ব্যাপক অভিযানের দাবি জানিয়েছেন, যাতে রমজানজুড়ে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল থাকে এবং সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘব হয়।