ঢাকাMonday , 6 October 2025
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

“শহীদ জিয়ার আদর্শে'” এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ

Link Copied!

“প্রথম বাংলাদেশ আমার, শেষ বাংলাদেশ, জীবন বাংলাদেশ, আমার মরণ বাংলাদেশ।” এটা শুধু গানের কলি বা কবিতার লাইন নয় এটা নতুন বাংলাদেশ গড়ার শুভ সূচনার প্রধান প্রতিপাদ্য। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও পরিবর্তনশীল অধ্যায়ের নাম শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। যিনি এক সংকটময় সময়ে রাষ্ট্রের হাল ধরেছিলেন এবং জাতিকে দিয়েছিলেন নেতৃত্ব, ভরসা ও দিকনির্দেশনা। তাঁর সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান হলো একদলীয় শাসনব্যবস্থা বাদ দিয়ে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা। তাইতো তিনি “বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা” হিসেবে সমধিক পরিচিত। তৎকালীন সরকার ১৯৭৫ সালে সংবিধানে চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে একদলীয় শাসনব্যবস্থা (বাকশাল) চালু করে। রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যক্রম নিষিদ্ধ হয়ে যায়, সংবাদপত্র তথা জনসাধারণের বাকস্বাধীনতা হরণ করা হয়। তারা জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা উপেক্ষা করে প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য সবকিছু জলাঞ্জলি দেয় এবং দেশকে পরিণত করে এক “তলাবিহীন ঝুড়ি”-তে। ফলশ্রুতিতে পরবর্তী রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মাধ্যমে ১৯৭৭ সালে জিয়াউর রহমান দেশের শাসনভার গ্রহণ করেন। একদলীয় শাসনের অবসান ঘটিয়ে তিনি বহুদলীয় রাজনীতির দ্বার উন্মুক্ত করেন। এর ফলে দেশে গণতন্ত্রের নতুন দিগন্তের সূচনা হয়, যার সুফল আজও সবাই ভোগ করছে। ১৯৭৮ সালে জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করেন এবং বিপুল ভোটে বিজয়ী হন। তাঁর সময়ে রাষ্ট্র পরিচালনা পরিষদে স্থান পায় অভিজ্ঞ, ক্লিন ইমেজের ব্যক্তিবর্গ। তাই সম্ভব হয়েছিল একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত দেশকে সমৃদ্ধ, আত্মনির্ভরশীল ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশে রূপান্তরিত করা। ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর তিনি গঠন করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) যা আজও দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক শক্তি। শুধু তাই নয়, তিনি ভিন্ন মতাদর্শ ও মতভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যক্রমে স্বাধীনতা দেন। ফিরে আসে বাক-স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা। জিয়াউর রহমানের শাসনকাল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় ব্যক্তিগত, পারিবারিক কিংবা রাষ্ট্রীয় কোথাও কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি, সম্পদ লুণ্ঠন, টেন্ডারবাজি বা চাঁদাবাজির চিহ্ন ছিল না। এ কারণেই তিনি একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পেরেছিলেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে তাঁর অবদানকে অনুধাবন করে আমাদের রাজনৈতিক সংকট, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও প্রতিহিংসা ভুলে ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ার আন্দোলনে যুগোপযোগী পদক্ষেপ নিতে হবে। এই দেশের জনগণ আশা করে বৃহত্তম ও সর্বাধিক জনপ্রিয় দল বিএনপি কেই এই দায়িত্বে এগিয়ে আসতে হবে। এ জন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে “সিপাহসালার” এর ভূমিকা পালন করতে হবে এটাই সময়ের দাবি। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেমন কখনও দেশীয় ও বিদেশীয় চক্রের কাছে মাথা নত করেননি, তাঁর যোগ্য উত্তরসূরি তারেক রহমান আজও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের মোকাবিলায় দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন। শহীদ জিয়ার আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনা এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানোই আজকের সময়ের দাবি। দলকে সুশৃঙ্খল ও সুসংগঠিত করে প্রমাণ করতে হবে আমরাই সেরা, আমরাই শহীদ জিয়ার আদর্শের সৈনিক। সবার মুখে উচ্চারিত হবে “জ্বি হ্যাঁ! শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার যোগ্য উত্তরসূরি তারেক রহমানের নেতৃত্বে গড়ে উঠবে একটি সুন্দর, স্বনির্ভর, সমৃদ্ধ ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ।”
তিনি গড়ে তুলবেন এমন একটি দেশ, যা পাশ্ববর্তী, পশ্চিমা ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সাথে সুসম্পর্ক স্থাপন করে আত্মনির্ভরশীলতার পথে এগিয়ে যাবে।মহান আল্লাহ পাক আমাদের সহায় হোন।