ঢাকাThursday , 7 August 2025
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

করণীয় হতে হবে বাস্তব উপলব্ধি

Link Copied!

দুর্দান্ত প্রতাপশালী ও প্রতিহিংসা পরায়ন, একনায়কতন্ত্র ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের এক নিষ্ঠুরতম, নজিরবিহীন পতন ঘটে গত বছরের ৫ আগস্ট। দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে স্লোগানে স্নোগানে মুখরিত বানী আর শহীদের তাজা রক্তবিন্দু থেকে গণমাধ্যমের পাতায় পাতায় ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শুরু থেকে ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট পতনের দিন পর্যন্ত বিশ্ববাসীকে স্পর্শ করা শিরোনামগুলো নিবিড় অনুভূতি এবং বাস্তব উপলব্ধি হতে পারে ‘শিক্ষা ও করণীয়’। ‘শিক্ষা’ যদি হয় নিবিড় অনুভূতি, আর ‘করণীয়’ হবে বাস্তব উপলব্ধি। ৫ আগস্ট ২০২৫ মঙ্গলবার বিকালে মানিক মিয়া এভিনিউ বিশাল এক মঞ্চে জাতীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ‘জুলাই ঘোষণা পত্র’ উপস্থাপন করেন। এই ঘোষণা পত্র কতটা সফল হবে সময়ে তা বলে দেবে। তবে করণীয় ঠিক করতে অনেক বেশি উদার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বাস্তব ভিত্তিতে উপলব্ধি করতে হবে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণ মনে করেন। আজীবন সদস্য ড্যাব ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন, সাবেক উপদেষ্টা ড্যাব , ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ শাখা , অধ্যাপক ডাঃ মো:শাহ আলম তালুকদার বলেন, স্বাধীনতার ৫৩ বছর পর যে কোন সময়ের চেয়ে দেশ বর্তমানে এতটাই দেশীয় ও বিদেশীয় চক্রান্তের শিকার হয়েছে তা সকল জনগোষ্ঠীকে অনুধাবন করতে হবে। তিনি বলেন, সে অনুযায়ী উত্তরনের পথ খুঁজে বের করে কালক্ষেপণ না করে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা দরকার। এই গুরু দায়িত্বটা দেশের বৃহত্তম এবং সর্বোচ্চ জনসমর্থিত দল বিএনপিকেই অগ্রনী ভুমিকা পালন করতে হবে। এজন্য সর্বাগ্রে প্রয়োজন বিএনপিকে সুসংগঠিত করা, বিগত সৈরাচার হাসিনা সরকারের আমলে যারা গুম,খুন, জেল-জুলুম ও মিথ্যা মামলার হয়রানির শিকার হয়েছন সেই ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন এখন সময়ের দাবী। প্রবীন ও নবীনের একটা চমৎকার সমনয় দরকার। তা না হলে বিএনপি যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হবে তেমনি জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষা ধূলিসাস্ত হয়ে যাবে। দেশও তলিয়ে যাবে অন্ধকারাচ্ছন্নে। বিগত সৈরাচার সরকারের আমলে যারা জেল-জুলুম, মিথ্যা মামলা ও হয়রানির শিকার হয়েছেন তাদেরকেও দলকে পরিচ্ছন্ন রাখতে আরো ত্যাগ স্বিকার করতে হবে। ডাঃ শাহ আলম তালুকদার আরো বলেন, বিগত সৈরাচার সরকারের কার্যকলাপ ও পরিনতি উপলব্ধি করে লুটতরাজ, রাহাজানি, সম্পদ লুন্ঠন এবং জনগণের মালের নিরাপত্তা রক্ষায় শহীদ জিয়ার সৈনিকদের সন্মুখ কাতারে থাকতে হবে। এতে করে দলের ভাবমূর্তি যেমন অক্ষুণ্ন থাকবে, তেমনই দেশ হবে একটা সমৃদ্ধ,স্বনির্ভর ও দুর্বৃত্তপরায়ণ মুক্ত। রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণ বলেছেন, গত বছর ৫ আগস্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনের ফলে বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে একটা টার্নিং পয়েন্ট হিসাবে পরিগণিত এবং ১৭ বছর সৈরাচার হাসিনা সরকার বিরোধী আন্দোলনের বহিঃপ্রকাশও বটে। দেশের ক্রান্তিলগ্নে দেশ গঠনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও তার সহধর্মিণী দেশমাতা, সাবেক প্রধান মন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদান অনস্বীকার্য। সুদীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন এবং বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সৈরাচার হাসিনা সরকারের পতন হয়েছে। আন্দোলনে সকল বিরোধী দলের ভুমিকা ছিল প্রশংনীয়। সৈরাচার হাসিনা সরকারের পতন হলেও দেশীয় ও বিদেশীয় চক্রান্ত শেষ হয়নি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বিব্রত করা, সব দলের মধ্যে ভাতৃ প্রতিম সম্পর্ক বিনস্ট করা, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে ভূলন্ঠিত করা এবং দেশে আবারও সৈরাচারকে পুনর্বাসন করাই যেন এই চক্রান্তকারীদের মূল উদ্দেশ্য। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত বছরের ৫ আগস্ট পতন ঘটে আওয়ামী লীগ সরকারের। ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে পালিয়ে যান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগে ক্ষমতায় টিকে থাকতে আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। চলে নির্মম হত্যাযজ্ঞ। প্রাণ হারায় নারী, শিশুসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ। কিন্তু সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ কয়েকজন ছাড়া গত এক বছরেও জুলাই হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা ও নেপথ্যের কুশীলবদের অধিকাংশই ধরা পড়েনি। গ্রেফতার এড়াতে তাদের কেউ কেউ বিদেশে পালিয়ে গেছেন। কেউবা দেশেই আত্মগোপনে আছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, পলাতকদের বড় অংশই ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। প্রশ্ন উঠেছে, যারা পালিয়ে বিদেশ গেছেন, তারা ৪ আগস্ট পর্যন্ত সরগরম ছিলেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল ৪ আগস্ট রাতেও পুলিশ বাহিনীকে হুকুম দিয়ে নারী-পুরুষ, ছাত্র-জনতা ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষকে গুলি করে হত্যা করেছে। এরা কিভাবে দেশ থেকে পালিয়ে গেলেন তার কোন সঠিক উত্তর অন্তর্বর্তী সরকার জনগণের কাছে উত্থাপন করেননি। শোনা কথা, একটি বাহিনীকে টাকার বিনিময়ে কাদের-কামালরা বর্ডার যোগে ভারতে পালিয়েছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যারাই সরকার গঠন করবেন, তারা অবশ্যই এই পলাতকদের সহায়তাকারীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পেছানোর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত দেশীয় ও বিদেশীয় অদৃশ্য শক্তি। বহুপক্ষীয় এবং সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রে একের পর এক ঘটনায় দেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে অস্থিতিশীল, বৈরী ও অনিশ্চিত করে তোলার পরিকল্পনায় যারা লিপ্ত তাদেরকে সরকারের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণ। কিছু অদৃশ্য শক্তি সরকারের সাথে মিশে গিয়ে দেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও নির্বাচন ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণে নিতে মরিয়া। গত ৫ আগস্ট প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূস আগামী বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন। এতে বিএনপি স্বতঃস্ফূর্তভাবে সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।

৩// দুর্বল মালিকদের জমিতে নজর ভূমিদস্যুদের
এসএম বদরুর আলম
নিজেদের জমির দখল ধরে রাখতে পারছে না জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ। ওয়াকফ এস্টেট বা মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ বোর্ডের নামে সাইনবোর্ড টানিয়ে একের পর এক প্লট দখল করে নিচ্ছে চিহ্নিত ভূমিদস্যুরা। আর গৃহায়ন দায় সারছে শুধু থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও মামলার মাধ্যমে। বাস্তবে বেদখল জমি উদ্ধার তো দূরের কথা, প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতেও অনাগ্রহী সরকারি এ দপ্তরের কর্তাব্যক্তিরা। বরাদ্দ পাওয়া বহু মুক্তিযোদ্ধা, প্রবাসী ও সাধারণ নাগরিক বছরের পর বছর প্লট বুঝে না পেয়ে ঘুরছেন থানা, ডিসি অফিস ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের দ্বারে। অথচ প্রশাসন নির্বিকার। ভূমিদস্যুরা দখল করা সেই জমিতে গড়ে তুলছে ঘর, গ্যারেজ, অফিস, আর সেগুলোর পাহারা দিচ্ছে গৃহায়নেরই নিয়োজিত আনসার সদস্যরা। যদিও শুরুতে আনসাররা বাধা দিতে গিয়ে দখলদারদের হাতে মারধরের শিকার হয়েছেন। জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সব নিয়ম মেনে মিরপুরের রূপনগর থানাধীন দুয়ারীপাড়া এলাকায় একটি প্লট বরাদ্দ নেন যুদ্ধাহত ‘ক’ শ্রেণির মুক্তিযোদ্ধা শফিউদ্দিন। কিন্তু স্থানীয় এক ভূমিদস্যু চক্র সেই প্লট দখল করে নিয়েছে। একটি বাহিনীর গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত শফিউদ্দিনের ছেলে জমি উদ্ধারে থানায়, ডিসি অফিসে এবং স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনীতিকদের কাছে ধরনা দিয়েও কোনো সহায়তা পাননি। শফিউদ্দিন শুধু একা নন, এমন অনেকে আছেন যারা গৃহায়নের কাছ থেকে সারা জীবনের সঞ্চয় দিয়ে প্লট কিনে আজও তা বুঝে পাননি। তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, ৫/৭২-৭৩ এলএ কেসের ভিত্তিতে মিরপুরের রূপনগর থানাধীন দুয়ারীপাড়া এলাকার ‘ক’ ও ‘খ’ ব্লকে প্রায় ৩০ একর জমি অধিগ্রহণ করে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ। সেসব জমিতে ৪৭৪টি প্লট তৈরি করে বিক্রি করে গৃহায়ন; কিন্তু নিজেদের অধিগৃহীত জমি দখলে নিতে ব্যর্থ হয় সংস্থাটি। ফলে প্লট বিক্রি করেও ক্রেতাদের জমির দখল বুঝিয়ে দিতে পারেনি।
২০০৯ ও ২০১৯ সালে দু’দফায় উচ্ছেদ অভিযান চালায় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এর পর থেকেই স্থানীয় ভূমিদস্যুদের সঙ্গে এক ধরনের চোর-পুলিশ খেলা চলছে। দীর্ঘসূত্রতা ও প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তার সুযোগে প্লট বরাদ্দ পাওয়া মালিকরা জমি বুঝে পাচ্ছেন না। বিগত সরকারের সময় এসব জমির দখল ছিল স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) ইলিয়াস মোল্লার অনুসারীদের হাতে। গত বছরের ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে দখলদারদের হাতও বদলায়। পুরোনো দখলদাররা এলাকা ছেড়ে গেলেও এসব প্লট দখলমুক্ত হয়নি। নতুন একটা গ্রুপ এসব দখলে নেতৃত্ব দিচ্ছে। গৃহায়নের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বর্তমানে গৃহায়নের প্লট দখলের উৎসব চলছে। নানা স্তরের প্রভাবশালীরা এসব জমি দখলে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। বলতে গেলে এখন প্রায় পুরো এলাকাই ভূমিদস্যুদের দখলে। তারা সেখানে ভাড়া দেওয়ার জন্য প্লট তৈরি করেছে, বানিয়েছে ২০টির বেশি রিকশা গ্যারেজ। গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ জমির নিরাপত্তায় আনসার সদস্য মোতায়েন করলেও তাদের ওপর একাধিকবার হামলা করা হয়েছে। জানা গেছে, নিজেদের জমি উদ্ধারে রূপনগর থানায় বেশ কয়েকটি জিডি ও মামলা করেছে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে ২০২৫ সালের ২৮ জানুয়ারি করা ৩টি জিডিতে ‘ক’ ব্লকের ৫ নম্বর রোডের ১১, ২৬ ও ২৮ নম্বর এবং ৪ নম্বর রোডের ১৪ নম্বর প্লট বেদখলের কথা বলা হয়। ৭ এপ্রিল করা জিডিতে ৬ নম্বর রোডের ১০ নম্বর প্লট এবং ২৭ মার্চের জিডিতে ৭ নম্বর রোডের ২৯ নম্বর প্লট দখলের অভিযোগ করা হয়। ১৫ মে করা আরেক জিডিতে ৭ নম্বর রোডের ৩২ নম্বর প্লট এবং ৩ মার্চের জিডিতে ‘বি’ ব্লকের ১ নম্বর রোডের ২৩, ২৫ ও ২৭ নম্বর প্লট দখলের অভিযোগ করা হয়। এ ছাড়া গৃহায়নের আনসারদের ওপর হামলা, ঘর ভাঙচুরসহ একাধিক ঘটনায় মামলাও হয়েছে। কিন্তু আইনি প্রতিকার চেয়ে করা এসব জিডি বা মামলায় দৃশ্যত কার্যকর তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই। দখলদারদের তালিকা, জমির বিবরণসহ একাধিক প্রতিবেদন জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয়ে জমা দিয়েছেন মিরপুর-১ সার্কেলের কর্মকর্তারা। সম্প্রতি পাঠানো এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৯ সালের উচ্ছেদ অভিযানে সেকশন-৮ (দুয়ারীপাড়া), ব্লক ‘ক’ ও ‘খ’ এলাকার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে প্লট মালিকদের বুঝিয়ে দেওয়ার কাজ শুরু হয়। কিন্তু গত সাত-আট মাসে ওই এলাকাতেই ফের দখল শুরু করে একটি ভূমিদস্যু চক্র। আনসার সদস্যদের উপস্থিতিতে কয়েকবার ইটের দেয়াল, গেট ভেঙে দেওয়া এবং একাধিক জিডি করা হয়। এর পরও ওই এলাকায় ৩২টি সাইনবোর্ড, ৯টি টিনশেড ঘর, ১২টি অবৈধ টিনঘর, ১০টি টিনের বেড়া ও ২০টির মতো রিকশার গ্যারেজ গড়ে তোলা হয়েছে। এসব জায়গায় চলছে দীর্ঘদিনের অবৈধ ব্যবসা।প্রতিবেদনে চিহ্নিত ১৮ জন ভূমিদস্যুর নামও রয়েছে। তারা হলো আজিজুল হক, সোহেল আনসারী, আবুল কালাম আনসারী, বাশার মিয়া, মোবারক মেম্বার গং, শফিক গং, শিবু মোল্লা গং, জহিরুল ইসলাম গং, সাইফুল ইসলাম গং, জসিম ওরফে জামাই জসিম, সোহেল, ইউসুফ, সেলিম গং, আরিফ, জান্নাতুল ফেরদৌস সুমি, শারমিন আক্তার, শিল্পী ওরফে খালিদা এবং দুলাল। এই চক্রের মূলহোতা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন এম আশরাফুল ইসলাম ও বিল্লাল চেয়ারম্যান নামে দুজন। এ ছাড়া গৃহায়নের ঢাকা ডিভিশন-১-এর ৮ নম্বর সেকশনের সার্ভেয়ার আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুসারে, দুর্বল প্লট মালিকদের তালিকা তিনি ওই দখলদার চক্রকে সরবরাহ করেন। যুদ্ধাহত ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা মো. শফিউদ্দিনের বরাদ্দ পাওয়া ৯ নম্বর রোডের ৩ নম্বর প্লটটি ৫ আগস্টের পর ‘ওয়াকফ এস্টেট’-এর সাইনবোর্ড ব্যবহার করে দখল করে নেয় চক্রটি। বর্তমানে সেখানে দখলদাররা ভবন নির্মাণ করছে। গৃহায়নের কিস্তি পরিশোধ করা এবং ব্যাংক ঋণ নিয়ে ঘর তোলার পরিকল্পনা থাকলেও এখন শফিউদ্দিন নিজেই প্লটে পা রাখতে পারছেন না। তার সন্তান বহু জায়গায় ধরনা দিয়েও কোনো সহায়তা পাননি। এ প্রসঙ্গে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের ঢাকা উপ-বিভাগ-১ এর উপ সহকারী প্রকৌশলী মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘দুয়ারীপাড়া ‘ক’ ও ‘খ’ ব্লকের কিছু জমি ও প্লট দখল হয়ে গেছে। এসব বিষয়ে রূপনগর থানায় বেশ কয়েকটি সাধারণ ডায়েরি ও মামলা করা হয়েছে। উদ্ধার অভিযান পরিচালনার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, শিগগির সব দখলকৃত জমি উদ্ধার করা হবে।’