জয়পুরহাটে ক্ষেতলালে জামিন নিতে গিয়ে কারাগারে গেলেন ইউপি চেয়ারম্যানসহ দুই আওয়ামী নেতা। মঙ্গলবার (২২ মে) দুপুরে জয়পুরহাট আদালতে হাজিরা দিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হত্যা ও হামলা মামলার জামিন চাইলে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মজিবুর রহমান জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তারা হলেন, জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার মামুদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা মশিউর রহমান শামীম এবং মামুদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুন্নবী চৌধুরী রতন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ৪ আগষ্ট জয়পুরহাট শহরের বাটার মোড় এলাকায় আন্দোলনরত মিনকুল হোসেন গুরুতর আহত হন। তিনি বাদী হয়ে ওই বছরের ১০ সেপ্টেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ ৩২৮ জনকে আসামি করে জয়পুরহাট সদর থানায় মামলা করেন। এ মামলায় এই ২ আসামি আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালতের বিচারক জামিন না মঞ্জুর করেন। রাষ্ট্রপক্ষের কৌসুলি (পিপি) শাহিনুর রহমান শাহিন বলেন, বিস্ফোরক ও হত্যা চেষ্টার মামলায় এই দুই আসামির জামিন না মঞ্জুর করে বিজ্ঞ জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট হেনা কবীর বলেন, আসামিগণ মহামান্য হাইকোর্ট থেকে ৮ সপ্তাহের আগাম জামিন নিয়ে ছিলেন। আগাম জামিনের মেয়াদ শেষে তাদেরকে আজ আদালতে হাজির করে জামিনের আবেদন করলে আদালত তা না মঞ্জুর করেন।

