ঢাকাThursday , 28 March 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাবা কোটিপতি, ২০ বছর ধরে জানতই না ছেলে!

Link Copied!

বাবার মালিকানাধীন সংস্থার বছরে আয় প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা। অথচ ছেলের বয়স ২০ বছর না হওয়া পর্যন্ত তার আসল আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে মিথ্যা বলেছিলেন বাবা। ঘটনাটি ঘটেছে চীনের হুনান প্রদেশে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে ঘটনাটি প্রকাশ পেলে হইচই পড়ে যায় সামাজিক মাধ্যমে। সকলেরই প্রশ্ন, কেন ছেলেকে নিজের আসল আর্থিক অবস্থা জানাননি বাবা?
চীনা সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনের হুনান স্পাইসি গ্লুটেন লাটিয়াও ব্র্যান্ড, ‘মালা প্রিন্সে’র প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারপার্সন ঝাং ইউডং। এই সংস্থার বছরে আয় প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ইউয়ান (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৯১০ কোটি টাকার বেশি)। ব্র্যান্ডটি যে বছর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তার ছেলের জন্ম হয়েছিল। অথচ ছেলে ঝাং জিলং-এর বয়স ২০ বছর না হওয়া পর্যন্ত তার আসল আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে মিথ্যা বলেছিলেন ঝাং ইউডং।
জিলং জানিয়েছেন, তার বাবা যে এক বিখ্যাত ব্র্যান্ডের মালিক, তা তিনি জানতেন। তবে, তার বাবা তাকে বলেছিলেন, সংস্থাটি চালু রাখতে ঋণের জালে জড়িয়ে পড়েছে তাদের পরিবার। শুধু তাই নয়, একেবারে সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানের মতো করেই তাকে বড় করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন জিলং।
তিনি আরও বলেন, চীনের হুনান প্রদেশের পিংজিয়াং কাউন্টিতে একটি ছোট ফ্ল্যাটে থাকতেন তারা। এমনকি স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রেও তার পরিবার কোনো প্রভাব খাটায়নি। নিজের দক্ষতায় তিনি একটি ভাল স্কুলে ভর্তি হতে পেরেছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হওয়ার পর একটা স্থায়ী চাকরি পেয়েছিলেন জিলং। বেতন ছিল প্রায় ৬ হাজার ইউয়ান (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৯১ হাজার টাকার বেশি)। বেতনের টাকা জমিয়ে ধীরে ধীরে পারিবারিক ঋণ শোধ করতে চেয়েছিলেন।
তবে ঠিক সেই সময়ই তার বাবা সবকিছু ফাঁস করে দেন এবং জানান, গত ২০ বছর ধরে তিনি তাদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা নিয়ে জিলংকে মিথ্যা বলে এসেছেন। তাদের পরিবারের মাথায় কোনো ঋণের বোঝা নেই। তারা আসলে অত্যন্ত ধনী এক পরিবার। এরপরই জিলংকে নিয়ে তার পরিবার, পিংজিয়াং ছোট ফ্ল্যাটটি থেকে এক নতুন তৈরি ভিলায় উঠে গিয়েছিলেন। যে ভিলার দাম ছিল ১ কোটি ইউয়ান।
বর্তমানে ঝাং জিলং তার বাবার সংস্থার ই-কমার্স বিভাগে কাজ করছেন এবং এই সংস্থাকে আন্তর্জাতিক স্তরে উন্নীত করার চেষ্টা করছেন বলে জানান।
কেন তার বাবা ২০ বছর ধরে মিথ্যা বলেছিলেন? জিলংয়ের দাবি, যাতে তিনি সাফল্য অর্জনের জন্য কঠোর পরিশ্রম করেন, তার জন্যই তার বাবা এই পথের আশ্রয় নিয়েছিলেন। এখনও অবশ্য পরীক্ষা শেষ হয়নি। তার বাবা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, কর্মক্ষেত্রে ভালো কাজ করে ছেলে নিজেকে প্রমাণ করতে পারলে, তবেই তিনি সংস্থার মালিকানা তুলে দেবেন ছেলের হাতে।
সূত্র: নিউজ ১৮