খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান বড়দিন আগামী ২৫ ডিসেম্বর। এবারও এই দিনটি উপলক্ষে ফানুস না উড়াতে নিষেধ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একইসঙ্গে থার্টিফাস্ট নাইটকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের পটকা বা এ জাতীয় কোনো জিনিস ফোটানো যাবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। এছাড়া সন্ধ্যা ৬টার পর রাজধানী ঢাকাসহ দেশের কোথাও উন্মুক্ত স্থানে কোনো ধরনের অনুষ্ঠান করা যাবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বড়দিন ও থার্টি-ফাস্ট নাইট উদযাপন উপলক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভা শেষে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, সন্ধ্যার পর থেকে ঢাকা মহানগরীসহ দেশের সকল গুরুত্বপূর্ন স্থানে পুলিশ চেকপোস্ট বসাব। কারণ আমরা গোয়েন্দাদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি কয়েকদিন ধরে দুর্বার গতিতে বাইক চালাতে দেখা যাচ্ছে, বিশেষ করে সন্ধ্যার পর। গোয়েন্দারা জানিয়েছে, উৎসবের দিনগুলোতে এটা আরও ব্যাপকভাবে হতে পারে। সে জন্য পুলিশ সচেষ্ট থাকবে। আমরা কূটনীতিক এলাকায় বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা করেছি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সকল চার্চ বা গীর্জায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি খ্রীষ্টান সম্প্রদায়কে বলা হয়েছে তাদের সেচ্ছাসেবক রাখার জন্য। যারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করবে। এছাড়া আর্চওয়ে, সিসি ক্যামেরা রাখতে বলা হয়েছে। যেকোনো অনাকাঙ্খিত ঘটনা সামনে এলে ৯৯৯ কল করতে বলা হয়েছে। ২৪ থেকে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত গোয়েন্দারাও তৎপর থাকবেন উৎসব এলাকায়। তিনি বলেন, থার্টিফাস্ট নাইটকে কেন্দ্র করে সন্ধ্যার ৬টার পর ঢাকাসহ সারাদেশে কোনো উন্মুক্ত স্থানে কোনো অনুষ্ঠানের অনুমতি দেওয়া হবে না। অন্যান্য সময়ের মতো এ বছরও কোনো বার খোলা থাকবে না। চার্চ ও অন্যান্য এলাকায় নাশকতা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা থাকবে। অগ্নি নির্বাপনে ফায়ার সার্ভিস প্রস্তুত থাকে। নির্বাচন সামনে থাকায় এবার এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, কোথাও লোক সমাবেশ থাকতে পারবে না। যারা অনুষ্ঠান করবেন সকলে ঘরের ভেতরে করবেন।

