ঢাকাSunday , 5 November 2023
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সাংবাদিকদের ওপর হামলা-নির্যাতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

Link Copied!

পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)’র উদ্যোগে রোববার (৫ নভেম্বর) বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সমাবেশে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, গত ২৮ অক্টোবর পুলিশের ছোঁড়া ছররা গুলি ও টিয়ারশেলের আঘাতে অর্ধশতাধিক সাংবাদিক রক্তাক্ত জখম হয়েছেন। অথচ একটি কুচক্রী মহল পুলিশি নির্যাতনের ঘটনাকে আড়াল করার জন্য গোয়েবলসীয় কায়দায় মিথ্যাচার করছে। তারা এ মিথ্যা তথ্য প্রচারের সাথে জড়িত চিহ্নিত এ মহলটির বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের সোচ্চার হবার আহ্বান জানান।
সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল কদম ফোয়ারা, তোপখানা রোড, পুরানা পল্টন হয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এসে শেষ হয়।
ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ খানের উপস্থাপনায় বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- বিএফইউজের সাবেক সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, বিএফইউজে’র মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, ডিইউজে’র সাবেক সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম, বিএফইউজে’র সাবেক সহ-সভাপতি আমিরুল ইসলাম কাগজী, ডিইউজে’র সহ-সভাপতি রাশেদুল হক, ডিআরইউ’র সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ, ডিইউজে’র কোষাধ্যক্ষ খন্দকার আলমগীর, সিনিয়র সাংবাদিক আবুল কালাম মানিক, ডিইউজে’র সাবেক সহ-সভাপতি শাহীন হাসনাত।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বিএফইউজে’র নির্বাহী সদস্য জাকির হোসেন, ডিইউজের নির্বাহী সদস্য নিজাম উদ্দিন দরবেশ, রাজু আহমেদ, এম মোশাররফ হোসাইন, তালুকদার রুমী ও গাজী আনোয়ার।
অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন- আবু হানিফ, এইচ এম আলামিন, সর্দার মতিন, তালুকদার বেলাল, ইসমাইল আহসান, নুরুল আবছার, শেখ তাজুল ইসলাম, এ এফ এম রাসেল পাটোয়ারি, বেলায়েত হোসেন, কামরুজ্জামান, মামুন, নবীউল ইসলাম নয়ন প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে রুহুল আমিন গাজী বলেন, গত ২৮ অক্টোবর যে ঘটনা হয়েছে সেটার জন্য সরকার দায়ী। ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ২৮ তারিখে হেফাজতের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটবে। সরকার পরিকল্পিতভাবে সমাবেশ পণ্ড করেছে, এর খেসারত দিতে হবে। একনায়কতান্ত্রিকভাবে সরকার দেশ চালাচ্ছে, তাই মানুষের অধিকার আদায় ও সাংবাদিক হত্যার বিচার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে।
নুরুল আমিন রোকন বলেন, সরকার ২৮ তারিখ লাখো জনতার মহাসমাবেশকে পণ্ড করে ঢাকাকে রণক্ষেত্রে পরিণত করেছে। অসংখ্য সাংবাদিককে নির্যাতন করেছে। আজ আমাদের মৌলিক অধিকার ধ্বংস করেছে, এ পরিস্থিতিতে আমাদের বাঁচতে হলে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে।
কাদের গনি চৌধুরী বলেন, এ সরকারের লোকেরা সাংবাদিক নির্যাতন ও হত্যা করছে শুধু তাই নয়, আজকে দেশকে পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত করেছে, পুলিশ মানুষের জান মাল রক্ষা না করে ঘুম, খুন হত্যার রাজনীতিতে নেমেছে। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে মানুষ কষ্টে জীবন যাপন করছে। কিছু সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, নিজেদেরকে স্বার্থের জন্য বিলিয়ে দিয়ে জাতিকে ধ্বংস করবেন না। এখন সময় এসেছে আরো দুর্বার আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারাে পতন ঘটাতে হবে।
শহিদুল ইসলাম বলেন, ২৮ অক্টোবর পরিকল্পিতভাবে সমাবেশকে পণ্ড করে সাংবাদিককে হত্যা করেছে। সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করলে এ সরকারের নির্যাতনের শিকার হতে হয়। তাই সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের বিচার না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে।
খুরশীদ আলম বলেন, পুলিশ ও সরকার দলীয় ক্যাডাররা মিলে সাংবাদিকদের উপর বর্বর আঘাত করছে। এর বিচার সরকার করবে না তাই সোচ্চার প্রতিবাদের মাধ্যমে সরকারকে পদত্যাগ করে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে।