ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে। দুই পক্ষের এই সংঘাতের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে তেলের উৎপাদনে কি ধরনের প্রভাব পড়তে পারে তা নিয়েও আলোচনা চলছে। সোমবার (৯ অক্টোবার) বৈশ্বিক বেঞ্চমার্ক ক্রুড অয়েলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৪ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ৮৮ দশমিক ১৫ ডলারে দাঁড়ায়। একই সঙ্গে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টার মিডিয়েটের দাম ব্যারেলপ্রতি ৪ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ৮৬ দশমিক ৩৮ ডলারে দাঁড়ায়। যদিও মঙ্গলবারে দুই বেঞ্চমার্কের দাম কমেছে খুবই সামান্য। ব্রেন্ট ক্রুড ও ওয়েস্ট টেক্সাসের দাম কমেছে যথাক্রমে ৩৬ ও ৩৫ সেন্ট। ইসরায়েল ও গাজা উল্লেখযোগ্য তেল উৎপাদনকারী নয়। তবে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়তে পারে এই আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়তির দিকে। বিশ্বের বড় তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর প্রায় অধিকাংশই মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত। এর মধ্যে রয়েছে, সৌদি আরব, ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত। তাছাড়া এইসব তেল হরমুজ প্রাণালী দিয়ে সরবরাহ করা হয়, যার নিয়ন্ত্রণ মূলত ইরানের কাছে। তবে রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধের পর জ্বালানি তেলের দাম যেভাবে বেড়ে গিয়েছিল সেভাবে বাড়বে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। মরগান স্ট্যানলি সোমবার এক নোটে বলেছে, তেল সরবরাহে নিকটবর্তী সময়ে ঝুঁকি কম। তবে সংঘাত অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়লে তা পরিবর্তন হতে পারে।

