নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রবাসীদের দেশে ফেরার বিষয়টিতে সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দলটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের সিদ্ধান্তসমূহ জানাতে আজকের এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘প্রবাসীদের ফেরার বিষয়টি নিয়ে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। একটা হচ্ছে যে, তাদেরকে (প্রবাসীদের) আসার সময়ে যে সুরক্ষা দেয়ার কথা ছিল সেটা দেয়া হয়নি। পরে অর্থনৈতিক যে প্রণোদনা দেয়ার কথা ছিল সেটা দেয়া হয়নি। ফলে অনেকেই ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। আজকের পত্রিকায়ও খবর বেরিয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘প্রবাসীদের ফিরে যাওয়ার বিষয়েও যেটা আগে থেকে বোঝা উচিৎ ছিল সরকারের, সেটা তারা করেনি। বিমানের যে ফ্লাইটগুলো চলত সেগুলো তারা বন্ধ করে দিলো এই কারণে যে, সৌদি আরব সেখানে বিমানের ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দিচ্ছে না। সেজন্য সাউদিয়ার ফ্লাইট বন্ধ করে দিলো।’
বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘ঠিক আছে এটা সিভিল অ্যাভিয়েশনের নিয়মই আছে- আমরা ফ্লাইট তুমি না নাও, আমি তোমার ফ্লাইট নেব না। কিন্তু এমন একটা সময় যেখানে আমার প্রবাসীদের জীবিকা বিপন্ন হবে এবং দেশের রেমিট্যান্স আসে সেটা বিপন্ন হয়ে যাবে। এগুলোতে আগে থেকেই সরকারকে বুঝতে হবে- এই সমস্যাগুলো হতে পারে। দ্যা বিজি উইথ মেকিং মানি দ্যাটস অল।’
অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘এখানে দুর্ভাগ্য যেটা, আজকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেটা রয়েছে সেগুলো সরকারি দলের সঙ্গে এক হয়ে এই অপরাধগুলো করছে। আপনারা দেখেছেন- কিছুদিন আগে কক্সবাজারের মেরিনড্রাইভে অন দ্যা স্পট একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (মেজর সিনহা) হত্যা করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘কক্সবাজার থেকে প্রায় সকল পুলিশ সদস্যকে বদলি করে দিয়ে আজকে প্রমাণিত হয়েছে যে, কক্সবাজারে এতদিন ধরে যে ক্রসফায়ারগুলো হয়েছে, বিচারবর্হিভুত হত্যাকাণ্ডগুলো হয়েছে প্রায় ২০০ উপরে-এগুলোর পরিকল্পিতভাবেই হয়েছে এবং তাদের পেছনে সর্বোচ্চ পর্যায়ের মদদ ছিল বলে আমরা মনে করি।’

