নিজস্ব প্রতিবেদক : মস্তিষ্কে রক্ষক্ষরণজনিত কারণে রাজশাহী জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এ এইচ এম খালিদ ওয়াসি কেটু ইন্তেকাল করেছেন। শুক্রবার ভোররাতে ঢাকার আগারগাঁওয়ের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
সোমবার সকালে তার মস্তিষ্কে রক্ষক্ষরণ শুরু হলে রাজশাহী নগরীর হড়গ্রাম এলাকার বাড়ি থেকে তাকে দ্রুত রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেদিন দুপুরে তার মাথায় অস্ত্রোপচার করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে তাকে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকায় নেওয়া হয়েছিল।
কেটুর গ্রামের বাড়ি জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার ফরাদপুরে। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
শুক্রবার বাদ মাগরিব নগরীর হড়গ্রাম এলাকায় জানাজা নামাজ শেষে তাকে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।
কেটুর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, রাজশাহী সদর আসনের এমপি ফজলে হোসেন বাদশা এবং জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকার। সকালে আলাদা আলাদা শোকবার্তায় তারা কেটুর বিদেহী আত্মার শান্তিও কামনা করেন। একইসঙ্গে তারা শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
এ ছাড়া শোক জানিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, মহানগরের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, নগর যুবলীগ সভাপতি রমজান আলী, সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন বাচ্চু, জেলার সভাপতি আবু সালেহ, সহসভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম মানিক, যুগ্ম সম্পাদক আলী আজম সেন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াসিম রেজা লিটন, সামাউন ইসলাম প্রমুখ। তারাও যুবলীগ নেতা কেটুর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।

