
রোহিঙ্গা শরণার্থীদের স্বাস্থ্য ও জীবনমান উন্নত করতে জরুরি প্রকষ্প হাতে নিতে যাচ্ছে সরকার।
নিজস্ব প্রতিবেদক : মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়াদের রোহিঙ্গা শরণার্থীদের স্বাস্থ্য ও জীবনমান উন্নত করতে জরুরি প্রকষ্প হাতে নিতে যাচ্ছে সরকার। উখিয়া ও টেকনাফে স্থাপিত ৩২টি শিবিরে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধন শেষ মোট শরণার্থী সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ লাখ ১৮ হাজার ৫৫৭ জন। তাদের নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিতের লক্ষ্যে ৬২৯ কোটি ১০ লাখ ৮৪ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিতে যাচ্ছে সরকার।
ওই দুই উপজেলায় পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন কার্যক্রমে জরুরি সহায়তা প্রকল্পের আওতায় এই কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। জুলাই ২০১৮ থেকে জুন ২০২১ সালের আগেই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর (ডিপিএইচই)।
ডিপিএইচই সূত্র জানায়, প্রতিটা ক্যাম্পে পাইপের মাধ্যমে নিরাপদ পানি সরবরাহ করা হবে। সব ক্যাম্পে মানববর্জ্য ব্যবস্থাপনা জোরদারের পাশাপাশি সামাজিক অবক্ষয় অবস্থার উন্নয়ন করা হবে। পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশনে নারীর সম অধিকার যেন বজায় থাকে সেটা দেখভাল করা হবে।
প্রকল্পের আওতায় নারীর জন্য কমিউনিটি গোসল সুবিধাদি নির্মাণ করা হবে এক হাজারটি। সারফেস ট্রিটমেন্ট ইউনিট থাকবে দুইটা, ৪৮টা ওয়াটার সাপ্লাই সিস্টেম, দু’টি সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য ৩০টা গাড়ি কেনা হবে। জরুরি পানি সরবরাহে সাতটি ওয়াটার ক্যারিয়ার কেনা হবে প্রকল্পের আওতায়।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) যুগ্ম প্রধান (উন্নয়ন) রবীন্দ্রনাথ বর্মণ বলেন, জরুরি ভিত্তিতে রোহিঙ্গাদের ৬২৯ কোটি টাকার প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। ৩২টি ক্যাম্পে নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা একেবারে প্রকট। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের নির্যাতনের শিকার হয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা জনগোষ্টি যাতে একটু উন্নত জীবন-যাপন করতে পারেন সেজন্যই প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হচ্ছে। ক্যাম্পের মধ্যে রাস্তঘাটেরও উন্নয়ন করা হবে এ প্রকল্পের আওতায়।

