ঢাকাTuesday , 1 May 2018
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রাজশাহীতে বিএনপির দুশ্চিন্তা জামায়াত

Link Copied!

রাজশাহী প্রতিনিধি : ঈদের পর ভোট, প্রধান প্রতিদ্ব›দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী ঘোষণা হয়েছে আগাম। প্রস্তুতিতে খায়রুজ্জামান লিটন। কিন্তু বিএনপি চুপচাপ। বর্তমান মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল নির্বাচন করতে চান। তবে দল কী সিদ্ধান্ত নেয়, নিশ্চিত নন। তাই অপেক্ষায়।
আগামী ১৫ মের ভোটকে সামনে রেখে এখন গাজীপুর ও খুলনায় চলছে আওয়ামী লীগ-বিএনপির প্রচার যুদ্ধ। ২০১৩ সালের মেয়র নির্বাচনে এই দুই নগরেও জিতেছিলের বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী। কিন্তু দলীয় প্রতীকে প্রথম নির্বাচনে দুই মেয়রের একজনও পাননি ধানের শীষ প্রতীক। বিএনপিতেই প্রার্থী বদলের জোর দাবি উঠেছে বরিশালেও। তবে রাজশাহীতে বুলবুলের বাইরে কোনো নাম উঠছে না।
বুলবুল সমর্থকরা প্রার্থিতা নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন। তবে জোটের শরিক জামায়াত ইসলামী আর বিএনপির ভেতর সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনুর সঙ্গে দ্বন্দ্বের গুঞ্জন ভাবাচ্ছে তাদের। নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন হারানো জামায়াত এরই মধ্যে প্রার্থিতা ঘোষণা করেছে। তিনি স্বতন্ত্র হিসেবে লড়বেন। রাজশাহীতে জামায়াতের ভোট আছে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক। তাই বিএনপিতে দুশ্চিন্তা।
১৯৯১ সালের সংসদীয় আসনে ভোটে রাজশাহীতে বিএনপির প্রধান প্রতিদ্ব›দ্বী আওয়ামী লীগ হতে পারেনি। সে সময় জামায়াতই চ্যালেঞ্জ করেছিল বিএনপিকে।
জামায়াতের মহানগর সেক্রেটারি সিদ্দিক হোসেন প্রার্থী হচ্ছে, এসে গেছে ঘোষণা। অবশ্য গত ১২ মার্চ দলটির কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত আমির মুজিবুর রহমানের সঙ্গে সিদ্দিককেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সেটাকে সমস্যা হিসেবে দেখছেন না দলের নেতারা। বলছেন, কারাগার থেকে ভোট করার ইতিহাস আছে। আর এতে বরং সহানুভূতি পাওয়া যায়।
জামায়াত গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও প্রার্থী দিয়েছিল সেখানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোট না থাকার পরও। দলটির রাজশাহীর নেতারা বলছেন, সিটি করপোরেশনগুলোতে মহানগরে বারবার তারা বিএনপিকে ছাড় দিচ্ছেন। কিন্তু তাদেরকে একটি না একটিতে বিএনপির ছাড় দেয়া উচিত। আর পাঁচ নগরে ভোটের আনুপাতিক হারে রাজশাহীতেই সব চেয়ে শক্তিশালী জামায়াত। এই বিবেচনায় এই নগরে তাদের দাবি জোরাল।
বিএনপির নেতাদের ধারণা, জোটের একক প্রার্থী হলে আবার জয় হবে তাদের। তবে জামায়াতের সিদ্দিক হোসেন প্রার্থী হলে জয় কঠিন হয়ে যেতে পারে।
জানতে চাইলে মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হক মিলন বলেন, ‘জামায়াত জোটের শরিক দল। তারা প্রার্থী ঘোষণা করেছে। কিন্তু আমাদের প্রার্থী এখনও ঘোষণা হয়নি। আমরা চাইব, জামায়াত এই নির্বাচনে প্রার্থী না দিক। কারণ, তারা আমাদের আন্দোলন-সংগ্রামের শরিক। সিটি নির্বাচনটাও আন্দোলনের একটা অংশ। আমরা এই আন্দোলনে জিততে চাই।’