ঢাকাFriday , 30 March 2018
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গাছ না কেটে যশোর রোডে ২ লেন হবে

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের (যশোর রোড) দুইপাশে ২ হাজার ৩১২টি গাছ রেখে সেটি দুই লেনে উন্নীতকরণের উদ্যোগ নিয়েছে সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়। মহাসড়কের ৩৮ কিলোমিটার যেখানে গাছ নেই, সেখানে ৪০ ফুট পর্যন্ত প্রশস্ত করা হবে।
বুধবার রাতে জাতীয় সংসদ ভবনে সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়ে সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। খুব শিগগির দরপত্র আহ্বান করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সদস্য ও যশোর-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী যশোর বেনাপোল মহাসড়ক গাছ রেখে উন্নত মানের (স্ট্যার্ন্ডাড) দুই লেনে করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যেখানে গাছ নেই, সেখানে ৪০ ফুট পর্যন্ত রাস্তা প্রশস্ত করা হবে। আর যেখানে গাছ আছে, সেখানে গাছ রেখে রাস্তার কাজ চলবে।
গাছ রেখে মহাসড়ক দুই লেনে উন্নীতকরণের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন যশোর রোড উন্নয়ন ও গাছ রক্ষা সংগ্রাম কমিটির নেতারা। সংগঠনের নেতা ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হারুন অর রশিদ বলেন, ‘সংসদীয় কমিটি বাস্তবতা উপলব্ধি করে গাছ রেখে রাস্তা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে- এ জন্য তাদের ধন্যবাদ।’
তিনি বলেন, ‘গাছ কেটে রাস্তা সম্প্রসারণে ৩২৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু গাছ রেখে রাস্তা সম্প্রসারণে সেই একই বাজেট রাখা হয়েছে।’ উন্নয়ন কাজে সরকারি টাকা যেন লুটপাট না হয়, সেই দিকে খেয়াল রাখার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানান তিনি।
যশোর সড়ক ও জনপথ বিভাগের অফিস সূত্রে জানা যায়, একনেকের সভায় ৩২৮ কোটি ৯৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। নির্মাণ কাজের দরপত্রও আহ্বান করা হয়েছিল। পরে গাছ কাটা নিয়ে হাইকোর্টে রিট হলে সেটি বন্ধ হয়ে যায়।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুর রহিম জানিয়েছেন, যশোর-বেনাপোল সড়কের কাজের দরপত্র আগামী মাসে আহ্বান করা হবে। দুই লেনের সড়কটি হাইওয়ে স্ট্যান্ডার্ড মানের করা হবে। মহাসড়কের দুইপাশের ২ হাজার ৩১২টি গাছ কাটা হবে না বলে সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।