ঢাকাWednesday , 28 February 2018
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

খালেদা জিয়াকে দীর্ঘদিন কারাগারে রাখতে চায় সরকার

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : সরকার পরিকল্পিতভাবে খালেদা জিয়াকে দীর্ঘদিন কারারুদ্ধ করে রাখতে চায় অভিযোগ করে বিষয়টিকে ক্ষমতাসীনদের ‘নীলনকশা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বুধবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা লক্ষ্য করছি, পরিকল্পিতভাবে ম্যাডাম জিয়াকে কারান্তরীণ করে রাখা হয়েছে। আগেই দেশনেত্রীর জামিন হতে পারতো। জামিন না হওয়ার কোনো কারণ নেই। এখন বলা হচ্ছে নথি ১৫ দিনের মধ্যে পাঠাও। এদিন পাঠাও, সেদিন পাঠাও-এটা সরকারের নীল নকশারই অংশ।’
‘তাকে রাজনীতি ও নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে চায়। এই উদ্দেশ্য নিয়েই ক্ষমতাসীনরা মামলাগুলো সাজাচ্ছে।’
খালেদা জিয়া আইনজীবীদের ভুলে কারাগারে আছেন বলে আইনমন্ত্রী বক্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘তাকে মিথ্যা মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছে। প্রধান বিচারপতিকে পদত্যাগে বাধ্য করে সরকার প্রমাণ করেছে বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ সরকারের নিয়ন্ত্রণে। সরকারের নির্দেশের বাইরে কিছু চলে না। বিচার প্রহসনে পরিণত হয়েছে।’
বিএনপি নেত্রীর মামলা নিয়ে তার আইনজীবীদের ড. কামাল হোসেন কাছে যাওয়া নিয়ে গণমাধ্যমে ভুল সংবাদ এসেছে উল্লেখ করে ভবিষ্যতে এই বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে প্রতিবেদন করার পরামর্শ দেন মির্জা ফখরুল।
‘আমাদের অনুরোধ থাকবে, সাংবাদিকরা যখন এসব বিষয় নিয়ে লিখবেন তখন আমাদের সঙ্গে কথা বলে লিখবেন। তাহলে আর ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি হয় না। কামাল হোসেনের অনুরোধ ফিরিয়ে দিয়েছেন এ তথ্য সত্য নয়। তিনি বরং উষ্মা প্রকাশ করেছেন যে, এ ধরনের মামলায় খালেদা জিয়াকে সাজা দেওয়া তার পছন্দ করেনি।’
ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে একটি মিথ্যা মামলা দিয়ে সাজা দেওয়া হয়েছে, সেই ব্যাপারে আইনি পরামর্শ নেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রথিতযশা আইনজীবী ড. কামাল হোসেনের কাছে গিয়েছিলাম। সঙ্গে ছিলেন আমাদের আইনজীবী রেজ্জাক খান ও আমিনুল ইসলাম। সেখানে গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। আমরা তার সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেছি।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘মামলার সাজা সময় ড. কামাল হোসেন দেশে ছিলেন না। তিনি সবকিছু জানতে চেয়েছেন আমাদের কাছে। খালেদা জিয়ার আইনজীবী রেজ্জাক খান তাকে ব্রিফ করছেন। রায়ের কপিও তাকে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেছেন এটা তো অনেক বড়, পড়ে আমরা মন্তব্য জানাবো এবং পরামর্শ দেবো। সেটা তিনি কয়েকটি পত্রিকার রিপোর্টারদের বলেছেন। কিন্তু একটি জাতীয় দৈনিক লিখেছেন তিনি প্রত্যাখান করেছেন।’
প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধে নির্দেশনা চেয়ে ইসির কাছে দেওয়া চিঠির বিষয়ে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আমরা নির্বাচন কমিশনকে যুক্তিসঙ্গত কারণে এই চিঠি দিয়েছি। যখন নির্বাচন কোনো তফসিল ঘোষণা করা হয়নি, খালেদা জিয়া কারাগারে; সেই সময় প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় খরচে বিভিন্ন জায়গায় জনসভা করে একতরফা নৌকার পক্ষে ভোট চাচ্ছেন। এতে সব দলের জন্য সমান মাঠ তৈরি হচ্ছে না।’
‘তাই আমরা যৌক্তিক দাবি জানিয়েছি, অবিলম্বে এটি বন্ধে পদক্ষেপ নিতে। আশা করছি, নির্বাচন কমিশন পদক্ষেপ নিবে। আর যদি তারা যদি সেটা না করে তাহলে আমরা আগে যে অভিযোগ করেছি নির্বাচন কমিশন সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে, সেটাই প্রমাণ হবে’ বলেন বিএনপির মহাসচিব।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী প্রমুখ।