ঢাকাTuesday , 24 May 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

টঙ্গীতে পুলিশের সোর্সকে কুপিয়ে হত্যা

Link Copied!

marderগাজীপুর প্রতিনিধি : টঙ্গীতে কুতুব উদ্দিন (৩২) নামে পুলিশের এক সোর্সকে হত্যা। মঙ্গলবার সকালে বাসা থেকে ফোনে ডেকে নিয়ে দুর্বৃত্তরা পায়ের রগ কাটাসহ ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে তাকে।  নিহত কুতুব ঢাকার নবাবগঞ্জের বাঘাদুয়ার এলাকার মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে। টঙ্গীর আমতলী এলাকায় আব্দুল মজিদ মিয়ার বাসায় তারা স্ব-পরিবারে বসবাস করতেন।
কুতুবের চাচা আব্দুল গফুর জানান, ভোর সাড়ে ৫টার দিকে কে বা কারা কুতুব উদ্দিনকে টঙ্গীর আমতলী এলাকার বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এর আধাঘণ্টা পর তারা খবর পান স্থানীয় টিএন্ডটি বাজার এলাকায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে সন্ত্রাসীরা কুতুব উদ্দিনের দুই পায়ের রগ কেটে কণ্ঠনালী ছিদ্র করে এবং মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মুমূর্ষু অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে গেছে। পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় তাকে প্রথমে টঙ্গী হাসপাতালে ও পরে ঢাকার পঙ্গু হাপাতালে নেয়া হয়। পঙ্গু হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
টঙ্গী ৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, কুতুবের ডান ও বাম পায়ের হাটুতে রগ কাটা, মাথা ও পিঠে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এছাড়া দুই হাতের আঙ্গুলগুলো এমনভাবে কাটা হয়েছে যে তা চামড়ার সাথে ঝুলে আছে।
কুতুবের স্ত্রী নাসিমা বেগম জানান, ভোর সাড়ে ৫টার দিকে একটি ফোন পেয়ে তার স্বামী তাকে বাইরে যাচ্ছি, গেটের তালা আটকে দাও বলে বাসা থেকে বের হয়ে যান। সকাল ৬টার দিকে খবর পান কে বা কারা তার স্বামীকে টিএন্ডটি মোড় বাজার এলাকায় কুপিয়ে ফেলে রেখে গেছে।
টঙ্গী থানার ওসি মো. ফিরোজ তালুকদার জানান, নিহত কুতুব টঙ্গী থানা পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ করতেন। সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ওই পুলিশ কর্মকর্তা আরো জানান, নিহতের পরিবারের লোকজনের দাবি ওই খুনের ঘটনায় স্থানীয় আনোয়ার হোসেন এবং জামাল উদ্দিন জড়িত। তারাও এক সময় পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ করত। ধারণা করা হচ্ছে তাদের মধ্যে কোনো কিছুর ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে এ খুনের ঘটনা ঘটেছে। তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।