ঢাকাSaturday , 21 May 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষতি

Link Copied!

floods
কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু’র প্রভাবে অস্বাভাবিক জোয়ারে পটুয়াখালীর কলাপাড়াসহ নিম্মাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ডুবে গেছে উপজেলার চম্পাপুর, মহিপুর ও লালুয়া ইউনিয়নের গ্রামের পর গ্রাম। এতে গাছপালা, কাঁচা ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে পুকুর ও ঘেরর মাছ। ঝড়ের আশঙ্কা কেটে গেলেও খেটে খাওয়া মানুষ পড়েছেন চরম দুর্ভোগে।
রোয়ানু’র আতঙ্কে আশ্রয়কেন্দ্র ও পাকা ভবনগুলোতে সহায়-সম্বল নিয়ে নির্ঘুম রাত কাটিয়েছে উপকূলীয় এলাকার লক্ষাধিক মানুষ।
কনিবার (২১ মে) সকাল থেকেই অনেকের বাড়িতে উনুনে হাঁড়ি উঠেনি। সারাদিনেও দেখা যায়নি সূর্যের মুখ।
এদিকে আশ্রয়হীন অভুক্ত লোকজনদের মাঝে স্থানীয়রা শুকনো খাবার বিতরণ করেছেন। ঝড়ের আশঙ্কা কেটে গেলেও নিম্মাঞ্চল প্লাবিত থাকায় খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ পড়েছেন চরম দুর্ভোগে।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার চম্পাপুর ইউনিয়নের দেবপুরের বিধ্বস্ত বাঁধ দিয়ে জোয়ারের পানি ঢুকে প্লাবিত হয়েছে বেশ কয়েকটি গ্রাম। একই অবস্থা লালুয়ার ইউনিয়নের মুন্সিপাড়া গ্রামের বেড়িবাঁধের। দুই ইউনিয়নের বেড়িবাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে পানি প্রবেশ করায় ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পুকুর ও মাছের ঘের, বাড়ি ঘরও পানিতে তলিয়ে গেছে। মহিপুর ইউনিয়নের নিজামপুরের বেড়িবাঁধটিও চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া সমুদ্র উত্তাল থাকায় জেলেরা ট্রলার নিয়ে মৎস্য বন্দর আলীপুর-মহিপুরের শিববাড়িয়াসহ বিভিন্ন নদীতে নিরাপদে অবস্থান করেছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘূর্ণিঝড়ের বিপদ সংকেত মাইকে প্রচার করায় বেড়িবাঁধের বাহিরের লোকজনের তেমন কোনো সমস্যায় পড়তে হয়নি।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় কন্ট্রোল রুম খোলা হয়ে ছিল। প্রস্তুত রাখা হয়ে ছিলো রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ও সিপিপি’র সকল স্বেচ্ছা সেবকদের। আপদকালীন সময় উপজেলার সকল সাইক্লোন শেল্টার ও বিদ্যালয়গুলো খোলার জন্য শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশ দেয়া হয়। এছাড়া বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলা পরিষদ মিলানায়তনে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু মোকাবেলায় জরুরী প্রস্তুতি সভা করা হয়। পরে উপজেলার গ্রামে গ্রামে বিপদ মোকাবেলায় ও নিরাপদ আশ্রয় গ্রহণের জন্য ব্যাপক মাইকিং করা হয়েছে।
উপজেলা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু’র প্রভাবে কলাপাড়ায় ১১৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদ হাসান পাটোয়ারী জানান, ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু’র প্রভাবে ব্যাপক কোনো ক্ষতি এখানে হয়নি। তবে কিছু কিছু এলাকা পানিতে নিমজ্জিত থাকায় সেখানকার চেয়ারম্যানদের বলা হয়েছে কোন লোকজন যেন কষ্ট না পায় সেদিকে খেয়াল রাখতে। এছাড়া যারা আশ্রয় কেন্দ্রে আছে তাদের মাঝে খাবার বিতনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।