ঢাকাThursday , 19 May 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি স্থগিত

Link Copied!

dolসিলেট প্রতিনিধি : সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করে রহস্যজনক কারণে আবার স্থগিত করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। গত ২৯ এপ্রিল রাতে দলটির কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ওই দু’টি শাখার কমিটি অনুমোদন করেন। সেই সময় বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী। কিন্তু রহস্যজনক কারণে তিনি কয়েক ঘণ্টা পর পুরো বিষয়টিই অসত্য বলে মন্তব্য করেন। এরপর বিষয়টির অনুসন্ধানে নামে। সেই অনুসন্ধানেই বেরিয়ে আসে সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদনের পরও কেন তা উধাও হয়েছিল।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদকে সভাপতি ও রাহাত চৌধুরী মুন্নাকে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দিয়ে ৮ সদস্যের জেলা ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা করা হয়। অন্যদিকে নুরুল আলম সিদ্দিকী খালেদকে সভাপতি ও আবু সালেহ মো. লোকমানকে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট মহানগর ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা করা হয়।
উভয় কমিটিকে এক মাসের মধ্যে কমিটি পূর্ণাঙ্গ করতে নির্দেশ দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। কিন্তু ৮ সদস্যের ওই আংশিক কমিটি ঘোষণার পরপরই শুরু হয় বিদ্রোহ। এ নিয়ে একাধিকবার সিলেটে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা নিজেরা নিজের মধ্যে সংঘর্ষেও জড়িয়েছে। এক পর্যায়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠে সিলেটের রাজপথ। মূলত এ কারণেই সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা সম্ভব হয়নি।
তবে গত কয়েক মাস আগে সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের পক্ষ থেকে দু’টি তালিকা কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের কাছে পাঠানো হয়। কিন্তু বিষয়টি সিলেটে বিদ্রোহী ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা জেনে যায়। এরপর ফের সংঘাতের ভয়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন থেকে বিরত থাকেন কেন্দ্রীয় নেতারা।
এক পর্যায়ে বিষয়টি যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান পর্যন্ত গড়ায়। পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ কমিটি না করার নিদের্শনা দেন স্বয়ং তারেক রহমান। কিন্তু গত ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুর দিকে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। ওই কমিটিতে সিলেট ছাত্রদলের বিদ্রোহী নেতাদের স্থান করে দেয়া হয়। এরপর ফের তোড়জোড় শুরু হয় সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার। কেন্দ্রে পাঠানো হয় আরো দু’টি তালিকা।
সূত্র মতে, কেন্দ্রে পাঠানো তালিকা অনুমোদনের জন্য সিলেট ছাত্রদলের বর্তমান কমিটি দলটির সাবেক দুইজন কেন্দ্রীয় সভাপতিকে মোটা অংকের টাকায় ম্যানেজ করে। পরবর্তীতে তারাই ছাত্রদলের বর্তমান সভাপতি রাজীব আহসান ও সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসানকে সিলেট ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেয়ার জন্য ম্যানেজ করেন। এরপরই গত ২৯ এপ্রিল রাতে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধরাণ সম্পাদক সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেন।
এদিকে কমিটি অনুমোদনের সংবাদ সিলেটে ছড়িয়ে পড়লে নেতাকর্মীদের মধ্যে শুরু হয় তোলপাড়। পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে স্থানপ্রাপ্তরা ‘যোগ্য পদ’ না পেয়ে প্রতিবাদমুখর হয়ে ওঠেন। এছাড়াও সিলেট ছাত্রদলের বিদ্রোহীপক্ষ আরও ক্ষেপে যায়। তাত্ক্ষণিকভাবে কমিটি প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলনে নামার হুমকিও দেন কোনো কোনো নেতা। এমনকি সিলেট ছাত্রদলের নেতারা বিষয়টি যুক্তরাজ্য বিএনপির নেতাদের মাধ্যমে তারেক রহমানকে অবগত করেন। পরে আবারো লন্ডন থেকে ওই কমিটি স্থগিত করার জন্য নিদের্শনা আসে। তাই রাতেই তা স্থগিত রাখে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। যদিও ততক্ষণে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সভাপতি রাজীব আহসান ও সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান স্বাক্ষরিত অনুমোদিত পূর্ণাঙ্গ কমিটির আংশিক তালিকা হাতে এসে পৌঁছায়। তাতে দেখা যায়, ওই কমিটিতে বেশিরভাগই চিহ্নিত ছিনতাইকারী, বিবাহিত এবং অছাত্রের নাম রয়েছে। অনুমোদিত তালিকা থেকে পাওয়া কিছু নাম তুলে ধরা হলো-
সিলেট জেলা ছাত্রদলের তালিকা :
সভাপতি মোহাম্মদ সাঈদ আহমদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি আহমেদ চৌধুরী ফয়েজ, সহ-সভাপতি চৌধুরী মোহাম্মদ সুহেল, মিফতাউল কবির মিফতা, বুরহান উদ্দিন, সৈয়দ এনায়েত হোসেন, প্রাণেশ দেব, ছালেক আহমদ, নজরুল ইসলাম (গোটাটিকর), সয়ফুল ইসলাম রিপন, শেখ নুরুল ইসলা, লোকমান আহমদ, গোলাম কিবরিয়া খান, কবির উদ্দিন, মুরাদ হোসেন, সুহেল মাহমুদ, দেওয়ান জাকির হোসেন খান, স্টালিন অড়িয়ং, শাহজাহান আলী, সালেহ আহমদ খান, বশির আলী, নজরুল ইসলাম ও টিএইচ খান মিশু।
সাধারণ সম্পাদক রাহাত চৌধুরী মুন্না। যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মকসুদ আহমদ, মিজানুর রহমান নেসার, আফছর খান, সায়াদ হোসেন সুজন, আমিনুল ইসলাম সাজু, ওলি চৌধুরী, গোলাম মাহমুদ, সালমান চৌধুরী শাদ্দি, লায়েক আহমদ, জাকির হোসেন কয়েস, আলী আব্বাস, সেলিম আহমদ সেলু, আবু বক্কর সিদ্দিকী বাবু, ওলি রহমান ওলি, হুমাউন কবির সুহিন, আব্দুল কাইয়ুম।
সহ-সাধারণ সম্পাদক মোজাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, মন্টু কুমার নাথ, আহমেদ জিলু, রেজাউল কবির রাজীব, সাইফুল আলম, গিয়াস মো. সেলিম চৌধুরী, জাভেদ কোরেশী, জাকির হোসেন পারভেজ, আমিরুল ইসলাম সলিড, নাজিম উদ্দিন, জুনেদ আহমদ, ইসতিয়াক হক ওলি, আব্দুল হাসিম জাকারিয়া।
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জয়নাল আবেদীন (লালাবাজার), রুহুল আমীন বাহার, নজরুল ইসলাম, এমএ হায়দার, ফয়জুর ইসলাম ফয়জু, বাবুল আহমদ তালুকদার, সাইফুল ইসলাম সুমন।
প্রচার সম্পাদক তোফায়েল আহমদ, সহ-প্রচার সম্পাদক রণি চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক মুহিদুল হক, সহ-দপ্তর সম্পাদক মো. এলিন শেখ, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক জাহেদ আহমদ, সহ-সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মাজেদুল হক সামী, সমাজসেবা সম্পাদক সজিবুর রহমান রুবেল, সহ-সমাজসেবা সম্পাদক ওয়াজেদ খান রিপন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম খান, সহ-সাস্কৃতিক সম্পাদক শাহজাহান চৌধুরী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, সহ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক দিদার আহমদ শাহ, আইন সম্পাদক সুবেদুর রহমান সুহেদ, সহ-আইন সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক খান রাজ, ক্রীড়া সম্পাদক জুনেদ আহমদ চৌধুরী, সহ-নাট্য বিষয়ক সম্পাদক জুয়েল আহমদ চৌধুরী, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক শাকিবুর রহমান, সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক সায়েকুল ইসলাম চৌধুরী, ত্রাণ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ফরহাদ হোসেন ময়না, সহ-ত্রাণ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক জুয়েল আহমদ, শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বাবুল, সহ-শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক জাফরুল ইসলাম, মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ওমর ফারুক, সহ-মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক কাওসার আহমদ, কর্মসূচি প্রণয়ন ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক লিয়াকত আলী, সহ-কর্মসূচি প্রণয়ন ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক জুবের আহমদ সিপু, বৃত্তি ও ছাত্রকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক বদরুজ্জামান রুয়েল, সহ-বৃত্তি ও ছাত্রকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুন, কৃষি গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ইমাদ উদ্দিন ফয়েজ, সহ-কৃষি গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মুন্না খান, সদস্য ইফতেখার আহমদ দিনার, সৈয়দ আমিন আহমদ আমিন, জাহেদ আহমদ, মির্জা জাহেদ, বাবর আহমদ (গোলাপগঞ্জ), জাবের আহমদ, দুলাল আহমদ শেখ, রেজাউল ইসলাম বিল্লাল, শাহ সুঃ আম্বিয়া চৌধুরী শাহরিয়ার, অনুপ দে, শামসুল ইসলাম (বিশ্বনাথ), সাদেক আহমদ, শাহজান মিয়া, জাকির আহমদ চৌধুরী ও এমএ আহাদ।
সিলেট মহানগর ছাত্রদলের তালিকা :
সভাপতি নুরুল আলম সিদ্দিকী খালেদ ও সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ মো. লোকমান। সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহফুজুল করিম জেহিন।
সহ-সভাপতি : শাহেদ আহমদ চমন, ফখরুল ইসলাম, হুমায়ুন আহমদ, জয়নাল আহমদ, রুজেল আহমদ, জয়দেব চক্রবর্তী জয়ন্ত, আবদুল জলিল, ফরহাদ হোসেন রিপন, সাহেদ বক্ত, সদরুল ইসলাম, মামুন ইবনে রাজ্জাক রাসেল, আজিজ হোসেন আজিজ, এইচ রহমান হাবিব, হেলাল আহমদ, রশিদুল হাসান খালেদ, বেলায়েত হোসেন মোহন, সুহেল আরেফিন সুহেল, আবু হানিফ, আকতার আহমদ, নেসার আলম শামীম ও শাহ পরাণ আহমদ।
যুগ্ম-সম্পাদক : রুমেল শাহ, লিটন কুমার দাশ নান্টু, এমদাদুল হক স্বপন, মুবিনুল হক রাহী, উমেদুর রহমান উমেদ, এমএ মতিন, সৈয়দ সারওয়ার রেজা, মির্জা সম্রাট, এনামুল হক চৌধুরী শামীম, রজব আহমদ, মুস্তাকুর রহমান রুমন, আব্দুল মালেক, ইমাম উদ্দিন ইমাম, ফখরুল ইসলাম রুমেল ও জামিল আহমদ।
সহ-সাধারণ সম্পাদক : জাহিদ মাহমুদ তুহিন, হোসেন আহমদ (কানাইঘাট), রহিম আলী রাসু, ফাহিম আহমদ চৌধুরী, আব্দুল্লাহ আল মামুন পারভেজ, সাহেদ সিরাজ, গাজী সুমন, মনজ দেব, মতিউর রহমান আফজাল, আকতার হোসেন ভীরু, মিনহাজ পাঠান, রেজুওয়ান আহমদ, সাহেদ আহমদ, মাহফুজ হাসান ও এহতেশাক হক সবুজ।সাংগঠনিক সম্পাদক : আব্দুর রকিব চৌধুরী। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বদরুল ইসলাম, লুৎফুর রহমান, কয়েছ আহমদ, সাকি আজিজ।
প্রচার সম্পাদক আবুল হাসিব, সহ-প্রচার সম্পাদক ফয়জুল হক রাজু, দপ্তর সম্পাদক জামিল আহমদ তালুকদার (এজিএস পদ মর্যাদা), সহ-দপ্তর সম্পাদক গোলাম সরওয়ার শাহীন, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক ফকরুজ্জামান চৌধুরী, সমাজসেবা সম্পাদক আশিকুজ্জামান আশিক, সহ-সমাজসেবা সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া আবির, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আফজাল চৌধুরী পাপ্পু, সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক জব্বার হোসেন চৌধুরী রুহান, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সৈয়দ ওমর মাহবুব চৌধুরী, সহ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক শিহাব সুমন।
যোগাযোগ সম্পাদক রায়হান উদ্দিন রাজু, সহ-যোগাযোগ সম্পাদক আহসান উদ্দিন মামুন, পাঠাগার সম্পাদক আজিজুর রহমান, সহ-পাঠাগার সম্পাদক আব্দুস সালাম, অর্থ সম্পাদক কাজী মাহবুব, সহ-অর্থ সম্পাদক কবির আহমদ চৌধুরী উজ্জ্বল, মানবাধিকার সম্পাদক হোসেন মাহমুদ তালুকদার, সহ-মানবাধিকার আবু সালেহ চৌধুরী, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক আব্দুল করিম জোনাক, সহ-বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক আবজাল হোসাইন, আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক এম এ বাসিত, সহ-আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক শাহজান চৌধুরী মাহী, ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক নাসিমা বেগম, সহ-ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক শিপা আদনান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন (গোলাপগঞ্জ), সহ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সামিউল ইসলাম সানি, স্কুল বিষয়ক সম্পাদক মমিতুজ্জামান সুজন, সহ-স্কুল বিষয়ক সম্পাদক এ ইউ রানা, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মিজান আহমদ, সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ইবনে ইলিয়াছ শাহরিয়ার ও নিলুৎপাল ভট্টাচার্য, পরিবেশ ও জলবায়ু সম্পাদক আলী আকবর রাজন, সহ-পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক লিটন আহমদ সাগর, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এ বিএম মজুমদার রনি, সহ-প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক সাহেদ আহমদ রাসেল, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক রহুল আমিন (কানাইঘাট), সহ-গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আহমেদ জাকি, গণসংযোগ বিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন (কানাইঘাট), সহ-গণসংযোগ বিষয়ক সম্পাদক ইকবাল হোসেন, নাট্য বিষয়ক সম্পাদক কামরান আহমদ।
সদস্যরা হলেন : নাসির উদ্দিন বাদশা, এম সুলেমান বেগ (দক্ষিণ সুরমা), হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী (সফি), সদস্য হারুনুল ইসলাম নিপুন, সাফুল আহমদ, জালাল হুসেন, আজাদ (সদর), রায়নুল হক, শেখ মোতাহির আলী, বাবুল আহমদ (দক্ষিণ সুরমা), রেজোয়ান আহমদ (দক্ষিণ সুরমা), এনাম উদ্দিন রুমেল, আতিকুর রহমান, মাহবুব আলম সাজু, আজাদ খাঁন, আতিকুর রহমান আখতার, কবির আহমদ সুমন, আরিফুর রহমান টিপু, মনিরুজ্জামান মনির, মারুফ হোসেন তালুকদার, কামরুল ইসলাম শ্যামল, আলী আহমদ রাজু, তানভীর হাসান সুমন, সুমন আহমদ (দক্ষিণ সুরমা), শামসুদ্দোহা, তারেক আহমদ খিজির, সাহেল আহমদ সোহেল, পনির আহমদ, এনামুল হক (উপশহর), আবু বক্কর সিদ্দিকি।
এ ব্যাপারে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সভাপতি রাজিব আহসান, সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান ও দপ্তর সম্পাদক আবদুস সাত্তার পাটোয়ারীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাদের মন্তব্য পাওয়া যায়নি।