ঢাকাMonday , 4 April 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বিএনপির সঙ্গে থাকার প্রত্যয় মুহাম্মদ ইব্রাহিমের

Link Copied!

ibrahimনিজস্ব প্রতিবেদক : দেশে গণতন্ত্র নেই উল্লেখ করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে বিএনপির সঙ্গে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শীর্ষনেতা বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম, বীরপ্রতীক।
দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টনের বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে ‘খুন-গুম-নারী নির্যাতন ও শিশু হত্যার প্রতিবাদ এবং বর্তমান প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
মুহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, মানুষের জান ও সম্মানের নিরাপত্তা এখন বড় বিষয়। সরকার ও সরকারের বাহিনী এ নিরাপত্তায় ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে। সরকার একেকবার একেকটি ইস্যু তৈরি করে। কিন্তু সেটি যখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তখন আরেকটি ইস্যু তৈরি করে মানুষের দৃষ্টি সেদিকে ঘুরিয়ে দেয়। এ রকম একটি পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে আমরা দিন কাটাচ্ছি।
গত ১৯ মার্চ বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে কাউন্সিলরদের উদ্দেশে খালেদা জিয়ার দেওয়া ভাষণকে ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ’ হিসেবে অভিহিত করেন ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শীর্ষ এই নেতা।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১৯৭২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত পাঁচটি সেরা ভাষণের মধ্যে দেশনেত্রীর (খালেদা জিয়া) এই ভাষণটি স্থান পাবেই পাবে। তিনি (খালেদা) সেদিন বাংলাদেশের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং মানুষের অধিকারকে আরেকবার সঠিক রাস্তায় তুলে দেওয়ার জন্য উদার ও জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গির বক্তব্য দিয়েছেন। এ ভাষণ আগামী দিনে মানুষের চিন্তার খোরাক তো হবেই হবে; রাষ্ট্র পরিচালনার জন্যও এটি একটি দিকনির্দেশনা হিসেবে পরিগণিত হবে।
কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ২০ দলীয় জোট খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সংগ্রাম করে যাচ্ছে। এ সংগ্রামকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।
বিএনপির উদ্দেশে তিনি বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে আপনারা এগিয়ে যাবেন। আমরা (বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি) আপনাদের সঙ্গে ছিলাম, আছি এবং থাকবো। বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টিতে মুক্তিযোদ্ধা আছেন। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী প্রজন্মও আছে। বিএনপিও মুক্তিযোদ্ধার দল বিধায় আমরা আপনাদের সঙ্গেই থাকবো। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গণতন্ত্র লালন করার সংগ্রামে আমরা সর্বাগ্রে থাকবো।
কল্যাণ পার্টির মহাসচিব এম এম আমিনুর রহমান বলেন, দুই ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে এখন পর্যন্ত ৪২ জন নিহত হয়েছেন। অথচ নির্বাচন কমিশন বলছে, হত্যার দায় তারা নেবে না। যদি না নেয়, তাহলে প্রহসনের এ নির্বাচনের দরকার কী! নিজেদের (ইসি) মনের মতো (ফলাফলের) তালিকা টাঙিয়ে দিলেই তো হয়!
এতে আরো বক্তব্য রাখেন, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, কল্যাণ পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান সাহিদুর রহমান তামান্না, মো. ইলিয়াস; যুগ্মমহাসচিব নুরুল কবির ভূঁইয়া পিন্টু, ঢাকা মহানগরের সভাপতি আলী হোসেন ফরায়েজী, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সহসাধারণ সম্পাদক আরিফা সুলতানা রুমা, সহছাত্রী বিষয়ক সম্পাদিকা রাহেলা হক রঞ্জু প্রমুখ।
শেষ মুহূর্তে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন- যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।