ঢাকাSunday , 3 January 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

তারেকের বিদেশে অর্থপাচার মামলা
রায়ের বিরুদ্ধে শুনানি চায় দুদক

Link Copied!

Tarek-Rahamanনিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থপাচার মামলায় খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল শুনানির উদ্যোগ নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
উচ্চ আদালতে আপিল শুনানি করতে তারিখ নির্ধারণের জন্য একটি আবেদন করেছে দুদকের আইনজীবী।
রোববার (৩ জানুয়ারি) সুপ্রিমকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে আইনজীবী  খুরশীদ আলম খান এ আবেদনটি দায়ের করেন। আবেদনে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দুদকের করা আপিল শুনানির জন্য দিন নির্ধারণের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
এর আগে ২০১৩ সালের ১৭ নভেম্বর তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দুদকের করা এ মামলার শুনানি করে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাসের রায় দেন ঢাকার একটি আদালত।
তবে এ মামলার অন্যতম অভিযুক্ত এবং তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে পরিচিত গিয়াসউদ্দিন আল মামুনকে সাত বছরের কারাদণ্ড ও ৪০ কোটি টাকা জরিমানার দণ্ড দেয়া হয়।
তারেক রহমান এখন লন্ডনে অবস্থান করছেন এবং তার অনুপস্থিতিতেই মামলাটির বিচার কার্যক্রম চলে আসছিল। বিচারিক আদালতের রায়ের পর সে বছরের ৫ ডিসেম্বর উচ্চ আদালতে আপিল দায়ের করে দুদক। সে আপিলের শুনানির জন্য আজ সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে এ আবেদন করে দুদকের আইনজীবী।
২০১৩ সালের ১৭ নভেম্বর বিচারক মো. মোতাহার হোসেন রায় ঘোষণা করেন। সিঙ্গাপুরে অর্থ পাচারের অভিযোগে তারেক রহমান ও তার বন্ধু ব্যবসায়ী গিয়াসউদ্দিন আল মামুনকে এ মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছিল।
২০০৯ সালে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক এ মামলাটি দায়ের করে। মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছিল, একটি পাওয়ার প্লান্ট স্থাপনের কাজ দেয়ার কথা বলে একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান থেকে ২০ কোটি টাকারও বেশি অর্থ নেন গিয়াসউদ্দিন আল মামুন। যে অর্থ লেনদেন হয় সিঙ্গাপুরে এবং সেখানেই মামুনের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সেই টাকা জমা রাখা হয়।
ওই অর্থ থেকে প্রায় ৪ কোটি টাকা তারেক রহমান খরচ করেছিলেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছিল। কিন্তু তারেক রহমানের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি বলে জানান আদালত।
এ মামলায় তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করা হয় এবং মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয় ২০০৭ সালে। এর পর থেকে তিনি কারাগারেই আছেন। পলাতক থাকায় এ মামলায় তারেক রহমানের পক্ষে রায় ঘোষণার সময় কোনো আইনজীবী ছিলেন না।
মামলায় দুদকের পক্ষে ১৩ জন সাক্ষীকে উপস্থাপন করা হয়েছিল, যাদের মধ্যে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের একজন বিশেষ এজেন্টও রয়েছেন।
তারেক রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে আদালতে মোট ১৪টি মামলা দায়ের করা হয়। যার মধ্যে দশটি বর্তমানে উচ্চ আদালতের নির্দেশে স্থগিত রয়েছে।
অর্থপাচারের মামলাটি ছাড়া তিনটি মামলার বিচারকাজ এখনও চলছে। এসব মামলার মধ্যে আছে, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের দুর্নীতি মামলা এবং ২১ অগাস্টের গ্রেনেড হামলায় সম্পৃক্ততার মামলা।