লাইফস্টাইল ডেস্ক : প্রতিদিন সকালে উঠে নিজেই হাত বাড়িয়ে ব্রাশ নেবে, ভালোভাবে দাঁত ব্রাশ করবে, তারপর খাবার খাবে- এমন স্বপ্ন সব বাবা-মায়ের। কিন্তু সবার ক্ষেত্রে কি তা ঘটে? অধিকাংশ শিশুই দাঁত ব্রাশ করতে চরম অনীহা দেখায়। ব্রাশ মুখে নিলেও পেস্ট খেয়ে ফেলে, কান্না করে আরও কতো বাহানা। কিন্তু আপনার শিশুও সুন্দরভাবে দাঁত ব্রাশে আগ্রহী হবে। তাই-
পছন্দের ব্রাশ দিন
শিশুকে দাঁত ব্রাশে আগ্রহী করে তুলতে পছন্দের ব্রাশটি হাতে তুলে দিন। ছোটদের জন্য বাজারে কার্টুন, অ্যাংরি বার্ডস, ফুল, বারবি ডল, পাখি, ডলফিন ইত্যাদির আকৃতিতে ব্রাশ পাওয়া যায়। এসব ব্রাশ হাতে পেয়ে তারা খুবই খুশি হয়। নানা ডিজাইনের বাহারি রঙ থেকে তাকে ব্রাশ বেছে নিতে দিন। টুথব্রাশের সঙ্গে বাচ্চাদের জন্য বিশেষ ভাবে তৈরি পেস্টও রাখুন, যাতে সোনামনির মুখে ঝাঁঝ না লাগে। বড়দের পেস্টে তাদের মুখে ঝাঁঝ লাগার কারণে দাঁত ব্রাশে আগ্রহ থাকে না। সবকিছু অনুকূলে থাকলে দেখবেন নিজেই আগ্রহ দেখাচ্ছে দাঁত ব্রাশ করতে।
অন্য ভাইবোনকে সঙ্গে রাখুন
বাড়িতে সমবয়সী শিশু থাকলে তার সঙ্গে দাঁত ব্রাশ করতে দিন। দেখবেন অপরের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মজা করে সোনামনি দাঁত ব্রাশ করছে। যদি সমবয়সী কেউ না থাকে তাহলে আপনিই তার সঙ্গে দাঁত ব্রাশ করেন। সব সময় সম্ভব না হলে শিশুর প্রিয় খেলনা সঙ্গে রাখুন। এটি তার ব্রাশ করতে ভয় কাটাতে সহায়তা করবে।
শিশুকে বোঝান
আপনার শিশুর কাছে দাঁত ব্রাশ করাকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উপস্থাপন করুন। তাকে ঝকঝকে দাঁতের গুরুত্ব দেখান। দাঁত ব্রাশ না করলে ব্যথা হওয়ার কথাও বোঝাতে পারেন। দাঁত ক্ষয়ে গেলে খাবার খেতে সমস্যার কথা জানান। তার কাছে এমনভাবে সবকিছু উপস্থাপন করবেন যাতে সে নিজেই আগ্রহী হয় দাঁত ব্রাশ করতে।
রুটিন করুন
বাচ্চারা প্রতিদিন দাঁত ব্রাশ করতে ভুলে যাবে এটাই স্বাভাবিক, কিন্তু আপনি প্রতিদিন সকালে ওঠার পর তার হাতে পেস্ট লাগিয়ে ব্রাশটি তুলে দিন। আস্তে আস্তে তার অভ্যাস তৈরি হয়ে যাবে।
প্রশংসা করুন
আপনার শিশু যদি দাঁত ব্রাশ ঠিকঠাক শিখে ফেলে তাহলে তাকে অনেক বেশি প্রশংসা করুন। প্রয়োজনে সফলভাবে দাঁত ব্রাশ করার পর তাদের কোনো উপহারও দিতে পারেন। এতে তার আগ্রহ আরও বেড়ে যাবে।

