রাজশাহী প্রতিনিধি : নির্বাচনী প্রচারণা দিনে দিনে জমে উঠেছে। প্রতীক না পেলেও ভোটের মাঠ চষে বেড়াতে শুরু করেছে প্রার্থীরা। ছুটে বেড়াচ্ছেন মাঠে-ঘাটে।
রাজশাহীতে ১৩ উপজেলায় ৬০ মেয়র প্রার্থী, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৪৮৫ এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ১৩৯ জন নারী প্রার্থী ছুটছে উর্ধ্বশ্বাসে। বিজয়ী হতে গেলে ভোট প্রয়োজন। আর ভোট আছে সাধারণ মানুষের কাছে। তাই প্রার্থীদের এখন একটাই লক্ষ্য প্রার্থীদের কাছে ছুটে যাওয়া।
সকাল থেকে প্রার্থীরা বাড়ি থেকে বের হয়ে ছুটছে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি। ইতোমধ্যে নিজ পৌর এলাকায় কোন দিকে অবস্থান শক্ত, কোন দিকে অবস্থান নরম তা নিয়ে চলছে বিশ্লেষণ। অপেক্ষকৃত দুর্বল এলাকাগুলোতে চলছে ভোটারদের মন জয়ের অভিযান।
রাজশাহী কাটাখালি এলাকার বিএনপির বিদ্রোহীপ্রার্থী সিরাজুল ইসলাম জানান, গত নির্বাচনে তিনি মাত্র ৫২ ভোটে পরাজিত হয়েছিলেন। এবারেও নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। মাত্র কয়েকদিনের প্রচারে ভোটারদের সাড়া দেখে তিনি বেশ খুশি।
তিনি আরো বলেন, দলীয় প্রার্থীরা দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবেন। তবে স্থানীয় নির্বাচনে সাধারণ মানুষ প্রতীকের উপরে নির্ভর করে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করে না। সাধারণ মানুষ ভোটের মাঠে ব্যক্তিকেই বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকে।
বরেন্দ্র অঞ্চল। এখন চলছে আমন কাটাই-মাড়াই মৌসুম। সাধারণ মানুষের বেশি সংখ্যাদের এখন মাঠ, খলানে ব্যস্ত। তাই প্রার্থীরা সাধারণ মানুষের কাছে ছুটে যেতে মানছেন না কোনো জায়গা।
শুক্রবার রাজশাহীর কাঁকনহাট পৌরসভার বিএনপির মনোনিত প্রার্থী হাফিজুর রহমান হাফিজকে পৌর এলাকার শুনশুনি পাড়ায় দেখা যায় ধান মাড়াইয়ে ব্যস্ত শ্রমিকদের সঙ্গে খলাসে বসে কথা বলতে।
মেয়রপ্রার্থী হাফিজ জানান, সাধারণ মানুষের কাছে যাওয়ার বিকল্প নেই। সে কারণে সাধারণ মানুষ যেখানেই থাকবেন সেখানেই ছুটে যেতে হবে। সাধারণ মানুষ তাকে ভালোভাবে গ্রহণ করেছে। সুষ্ঠু-সুন্দর পরিবেশে ভোট অনুষ্ঠিত হবে তিনি আশা করছেন।

