নিজস্ব প্রতিবেদক : বিরোধীদলের রাজনীতিক নয়, অপরাধীর শাস্তি হয়েছে বলে মনে করেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে তাদের বিচার হয়েছে। তাদেরকে আইনের সর্বোচ্চ সুযোগ দেয়া হয়েছে। যথেষ্ট সুযোগ পেয়েছে তারা। তারা প্রাণভিক্ষার আবেদনও করেছে। এটি নিয়ে কোনো সন্দেহ নাই।
আজ রবিবার সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তারা যে অপরাধ করেছে সেই অপরাধের অভিযোগে তাদের বিচার করা হয়েছে। এই অপরাধকে ২০১৫ সালের চোখে বিবেচনা করলে হবে না। এটাকে ১৯৭১ সালের চোখে বিবেচনা করতে হবে।
তিনি বলেন, সর্বোচ্চ আদালত সাকা-মুজাহিদের ফাঁসির রায় দিয়েছে। আদালতের রায় বাস্তবায়ন করা হয়েছে মাত্র। সাকার বিচার করতে সময় লেগেছে ৪ বছর ৩৬০ দিন। আর মুজাহিদের বিচার কার্য শেষ করতে সময় লেগেছে চার বছর ছয়মাস। প্রকাশ্যে আদালতে তাদের বিচার হয়েছে। এটি কোনো গোপন বিচার ছিল না। এটা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর সুযোগ নেই বলে তিনি জানান।
ইনু বলেন, যারা বলছেন- বিরোধীদলের নেতাদের রাজনৈতিকভাবে দমনে এ বিচার করা হচ্ছে, তা সঠিক নয়। মনে রাখতে হবে তারা অপরাধী। এখানে রাজনীতি বিবেচ্য নয়।
মন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতি দুই অপরাধী প্রাণভিক্ষা চাইলে তাদের ক্ষমতা করে দিতে পারেন। তবে বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে কিছু করতে পারে্ন না। সংবিধানের ৪৯ ধারা মোতাবেক তারা দুজনেই আবেদন করেছে।
তিনি বলেন, বিদেশি কোনো রাষ্ট্রের চাপ বর্তমান সরকার আমলে নেয় না। সব সুযোগ দিয়ে তাদের বিচার করা হয়েছে।

