নিজস্ব প্রতিবেদক : খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডেভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, ‘দেশ একটা যুদ্ধের পথে আছে। এই যুদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে, গুপ্ত মানুষ হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে, ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির যুদ্ধ।’
শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে ‘আমরা দেশবাসী’র আয়োজনে ‘দেশবিরোধী স্থানীয় আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র মোকাবেলা ও জাতীয় উন্নয়নে করণীয়’ শীর্ষক এক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
কামরুল বলেন, ‘একাত্তরের ঘাতকদের দুজনেরে রায় কার্যকর হয়েছে। আর দুজনের রায় কার্যকর সময়ের ব্যাপার মাত্র। আইনের সকল প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে, খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে রায় কার্যকরের ব্যাপার।’
মন্ত্রী বলেন, ‘অনেকে বলেছেন- প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সাথে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর পরিবারের সুসম্পর্ক আছে। তাই তাকে সাজা দেয়া হবে না। কিন্তু তাদের সেই ধারণা ভুল প্রমাণ করে তার বিচার হয়েছে, ফাঁসির রায় হয়েছে। আশাকরি রায়ও কার্যকর হবে।’
পচাত্তরের পর জিয়াউর রহমান যুদ্ধাপরাধীদের জেল থেকে মুক্তি দিয়ে প্রমাণ করেছেন তিনি কোনো অবস্থায় প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা নয় মন্তব্য করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জিয়া যেমন ভাবে যুদ্ধাপরাধী শাহ আজিজকে মন্ত্রী বানিয়েছিলেন একইভাবে খালেদা জিয়া নিজামী, মুজাহিদদের মন্ত্রী বানিয়েছিলেন। তারও একধাপ এগিয়ে তারেক জিয়া এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন- শিবির আর ছাত্রদল পরস্পরের সহোদর।’
সাকা ও মুজাহিদের বিরুদ্ধে রায় উল্লেখ করে কামরুল বলেন, ‘বিএনপি এ রায়ের পর যে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, তাতে স্পষ্ট তারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের না বিপক্ষের দল।’
বাংলাদেশের উন্নয়নের বিরুদ্ধে বিএনপি-জামায়াত ষড়যন্ত্র করছে, তারা বিভিন্ন দেশে লবিস্ট নিয়োগ করছে উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিভিন্ন দেশে যারা আইএস-জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করছেন তারাই হচ্ছে এদের মূল গুরু।’
আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া ও জঙ্গিগোষ্ঠীর নোংরা চেহারা আজ জাতীর সামনে উদঘাটিত। যারা গুপ্ত হত্যা চালাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে জাতি আজ ঐক্যবদ্ধ। এ ধারাকে অব্যাহত রাখতে হবে।’
সংগঠনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম খানের সভাপতিত্বে এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু, অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম, শাহে আলম মুরাদ, এমএ করিম, অরুণ সরকার রানা প্রমুখ।

