নিজস্ব প্রতিবেদক : খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, মানবতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধের দণ্ডে দণ্ডিত জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসি রায় কার্যকর এখন সময়ের ব্যপার মাত্র।
বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, আইনি প্রক্রিয়ার সকল কার্যক্রম শেষ। মুজাহিদ-সাকার রায় কার্যকর এখন সময়ের ব্যপার মাত্র। আর এই রায় কার্যকরের মধ্য দিয়ে ৪৬ বছরের ক্ষত সেরে যাবে।’
কামরুল বলেন, ‘অনেকে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু পরিবারের সঙ্গে সাকা পরিবারের সৌহার্দ্য আছে। এই রায়ের মধ্যে তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।’
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি বলেন, ‘একে একে ৭১-এর সব ঘাতকের সাজা নিশ্চিত করা হবে। যারা এই দেশের বিরুদ্ধে লড়েছিল তাদের এই দেশে থাকার কোনো অধিকার নেই।’
যারা এক সময়ে নির্বিচারে মানুষ হত্যা করেছে তাদের বাঁচানোর জন্য হরতাল ডাকা হয়েছে মন্তব্য করে চুমকি বলেন, এটা সত্যিই হাস্যকর। তারা এতো দুঃসাহস কোথা থেকে পায় তা খতিয়ে দেখা উচিৎ।’
তিনি বলেন, বিএনপি ও জামায়াত বিদেশিদের কাঁধে ভর করে ক্ষমতায় আসতে চায়। আর এর জন্যই বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে তারা বিদেশিদের এদেশে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে। এই ষড়যন্ত্র প্রতিরোধ করতে হবে।’
বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানার সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, ঢাক মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, আওয়ামী লীগ উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক বলরাম পোদ্দার প্রমুখ।

