ঢাকাSaturday , 24 October 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শিশু সুস্থ সুন্দর থাকবে শীতেও

Link Copied!

Shishuলাইফস্টাইল ডেস্ক : শীত এলেই বাচ্চাকে নিয়ে মায়েদের চিন্তা শুরু হয়ে যায়। তার নরম তুলতুলে ত্বকে একটুতেই ফোসকা পড়া, ফেটে যাওয়া বা চামড়া কুচকে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়াও সর্দি কাশি তো লেগেই থাকে। তাই এ সময়ে তাদের বিশেষ যত্ন প্রয়োজন। শিশুর সৌন্দর্য এবং সুস্থতার জন্য-
– প্রতিদিন হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করাতে হবে। সাবানে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায় তাই গন্ধহীন কোনো বাথ ওয়েল পানিতে মিশিয়ে বাচ্চাকে গোসল করালে ত্বক নরম থাকবে।
– যেসব সাবানে প্রচুর ফেনা সৃষ্টি হয় সেসব সাবান ব্যবহার না করাই ভালো। কারণ, এসব সাবন বাচ্চার ত্বক থেকে ন্যাচারাল ওয়েল শুষে নেয়। তাছাড়া বাচ্চাদের ক্ষেত্রে অ্যান্টি ব্যাক্টেরিয়াল বা সুগন্ধীযুক্ত সাবান ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
– গোসল করার পর বাচ্চার শরীর ভালো করে মুছে ফেলতে হবে যাতে কোথাও পানি না থাকে। তারপর একটা ভালো মানের মশ্চারাইজার সারা গায়ে আলতো করে লাগিয়ে দিন। অল্প পরিমান ওয়েলি ক্রিম ন্যাপি এলাকায় দিয়ে দিন। সোনামনির ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখবে, চর্মরোগ থেকেও মুক্তি দেবে।
– এই সময়টাতে হালকা ঢিলেঢালা সুতি কাপড় পরানো উচিৎ। বেশি শীতে গরম কাপড় যেমন উলের তৈরি কিছু পরালে তার নিচে পাতলা সুতি কাপড় পরিয়ে নিতে হবে। এতে তার শরীরে চুলকানি হওয়া ঠেকাবে। খুব ঠাণ্ডায় বাচ্চাদের হাত বা পায়ের পাতা নীলাভ দেখায়। অনাবৃত জায়গা গুলো ঢেকেদিন তাহলেই দেখবেন নীলাভ ভাব চলে যাবে।
– বাচ্চাদের ন্যাপকিন বার বার পরিবর্তন করে দিতে হবে। বেশিক্ষণ ভেজা থাকলে ঠাণ্ডা লেগে যেতে পারে।
– ছোট্ট সোনামনির চুলের যত্নে মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করা উত্তম।
– বাচ্চার সুস্থতায় সব সময়ই তাজা খাবার খাওয়াতে হবে। মৌসুমি ফলও খাওয়াতে পারেন। তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন সেই ফলে তার ঠাণ্ডা না লাগে। মৌসুমী ফল, সবজি দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
– ছোটো বাচ্চার নখ খুবই পাতলা এবং দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ময়লা ভর্তি নখ মুখে দিলে পেটে জীবানু ঢুকে যায় সহজে। তাছাড়া নিজের নখেই শরীরের বিভিন্ন জায়গা কেটে যেতে পারে। তাই নিয়মিত নখ কেটে দিতে হবে।