ঢাকাMonday , 14 September 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

টবেই লাগাতে পারেন আতাফলের চারা

Link Copied!

Ataphalaকৃষি ডেস্ক : আতা একটি অল্প প্রচলিত ফল। তাই অনেকে ভুলতে বসেছে। পছন্দের ফলের তালিকায় অনেকের কাছে এটি দারুণ প্রিয়। সাধারণত অন্যান্য ফল শেষ হবার পর আতাফল পাকতে শুরু করে। পাকা আতাফল খুবই সুস্বাদু এবং মিষ্টি। আতাফলের ভিতরের শাস সাদা। এই শাসই খাবার উপযোগী। প্রায় সব মাটিতেই আতাফলের চাষ করা যায়। এমনকি ছাদে টব বা ড্রামে সহজেই এই ফলের চাষ সম্ভব।
আতাফলের চাষ পদ্ধতি:
ছাদে আতাফলের চারা লাগানোর জন্য ২০ ইঞ্চি কালার ড্রাম বা টব সংগ্রহ করতে হবে। ড্রামের তলায় ৩-৫টি ছিদ্র করে নিতে হবে। যাতে গাছের গোড়ায় পানি জমে না থাকে। টব বা ড্রামের তলার ছিদ্রগুলো ইটের ছোট ছোট টুকরা দিয়ে বন্ধ করে দিতে হবে। টব বা ড্রামের গাছটিকে ছাদের এমন জায়গায় রাখতে হবে যেখানে সবসময় রোদ থাকে। এবার ২ ভাগ বেলে দোআঁশ মাটি, ১ ভাগ গোবর, ২ কেজি কাঠের ছাই এবং ২০০ গ্রাম হাড়ের গুড়া একত্রে মিশিয়ে ড্রাম বা টবে পানি দিয়ে রেখে দিতে হবে ১০-১২ দিন। অতঃপর মাটি কিছুটা খুঁচিয়ে দিয়ে আবার ৪-৫ দিন একইভাবে রেখে দিতে হবে। মাটি যখন ঝুরঝুরে হবে তখন একটি সবল সুস্থ আতাফলের বীজের চারা উক্ত টবে রোপন করতে হবে।
চারা রোপনের সময় খেয়াল রাখতে হবে গাছের গোড়া যেন মাটি থেকে আলাদা না হয়ে যায়। চারা গাছটিকে সোজা করে লাগাতে হবে। সেই সঙ্গে গাছের গোড়ায় মাটি কিছুটা উঁচু করে দিতে হবে এবং মাটি হাত দিয়ে চেপে চেপে দিতে হবে। যাতে গাছের গোড়া দিয়ে বেশি পানি না ঢুকতে পারে। একটি সোজা কাঠি দিয়ে গাছটিকে বেঁধে দিতে হবে। চারা লাগানোর পর থেকে অল্প অল্প করে পানি দিতে হবে। আমড়া গাছের মতো আতাগাছও পানি জমে থাকা একদম পছন্দ করে না। কাজেই লক্ষ্য রাখতে হবে যেন গাছের গোড়ায় পানি জমে না থাকে। টবে পানি জমে গেলে তাৎক্ষণিক নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে হবে।
অন্যান্য পরিচর্যা:
আতা গাছের চারা লাগানোর ৬/৭ মাস পর থেকে ৩০-৪০ দিন অন্তর অন্তর সরিষার খৈল পচা পানি প্রয়োগ করতে হবে। সরিষার খৈল ১০ দিন পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপর সেই পচা খৈলের পানি পাতলা করে গাছের গোড়ায় দিতে হবে। ২ বছর পর টবের আংশিক মাটি পরিবর্তন করে দিতে হবে। ২ ইঞ্চি প্রস্থে এবং ৪ ইঞ্চি গভীরে শিকরসহ মাটি ফেলে দিয়ে নতুন সার মিশ্রিত মাটি দিয়ে তা ভরে দিতে হবে। মাটি পরিবর্তনের এই কাজটি সাধারণত বর্ষার শেষ এবং শীতের আগে করলেই ভালো হয়। গাছের মরা ডালপালা ছেটে দিতে হবে। ১০-১৫ দিন অন্তর অন্তর টব বা ড্রামের মাটি কিছুটা খুঁচিয়ে দিতে হবে।
তো যারা এই সুস্বাদু ফল বাড়ির উঠোনে বা ছাদে টবে লাগাতে চান তারা অবশ্যই উপরের নিয়ম অনুযায়ী লাগাতে পারেন। তাহলে পরিবারের চাহিদা মেটাতে পারবেন ফরমালিন ছাড়া এ ফল দিয়ে।