নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘বিএনপি সমর্থিত জনপ্রতিনিধিদের টার্গেট করে সরকার তাদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় অগণতান্ত্রিক ও অনির্বাচিত সরকার গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও জনগণের রায়কে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে গাজীপুরের সিটি মেয়র অধ্যাপক এম এ মান্নানের নামে ১১টি মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেফতার করেছে।’
শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এই অভিযোগ করেন এম এ মান্নানের স্ত্রী সাজেদা মান্নান।
মেয়র মান্নানকে কারাগারে বন্দি রেখে অমানবিক নির্যাতন করা হচ্ছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘বিচার শেষ না হওয়ার আগেই মেয়র পদ থেকে তাকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। সরকারের এই হঠকারী সিদ্ধান্তে গাজীপুর সিটির ৫০ লাখ মানুষ স্তম্ভিত, উদ্বিগ্ন ও মর্মাহত।’
মেয়র মান্নান দীর্ঘদিন যাবৎ হার্ট, কিডনি ও ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ছিলেন জানিয়ে সাজেদা বলেন, ‘তাকে (এম এ মান্নান) গ্রেফতার করে একের পর এক মামলায় রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতনের পর তিনি আরো অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তার উন্নত চিকিৎসা করা খুবই জরুরি। উন্নত চিকিৎসা দেওয়া না হলে মৃত্যুর আশঙ্কা রয়েছে।’ কোনো প্রকার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করে মান্নানকে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানান তার স্ত্রী।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আ স ম হান্নান শাহ বলেন, ‘বিভিন্ন অজুহাতে সরকার সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত মেয়রদের সরিয়ে দিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে গাজীপুরের মেয়র এম এ মান্নানকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, নির্বাহী কমিটির সদস্য হুমায়ুন কবির, রফিক শিকদার, গাজীপুর বারের সভাপতি ড. শহিদুজ্জামানসহ গাজীপুর জেলার বিএনপির নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

