ঢাকাSaturday , 8 August 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কলার চেয়ে খোসায় উপকার বেশি!

Link Copied!

banana-peelস্বাস্থ্য ডেস্ক : সুস্থ থাকতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ফলের ওপর আমাদের প্রথম নির্ভরতা। শারীরিক শক্তি ধরে রেখে ওজন কমানোর জন্যও সবার উপরে থাকে ফলের প্রাধান্য। তাই সারা বছরের সুস্থতা নিশ্চিত করতে মৌসুমী ফলের প্রায় সবই খাওয়া হয়। তবে ফলের থেকেও যে বেশি উপকারী ফলের খোসা সে কথা জানা কজনের? কলার চেয়ে খোসায় উপকার বেশি বলে দাবি করছেন বিশেষজ্ঞরা।
কলায় থাকা ভিটামিন বি-৬, বি-১২, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম উপাদান হজমে সাহায্য করে। প্রচুর পরিমান ফাইবার সমৃদ্ধ কলা পেট পরিষ্কার রাখতেও দারুণ ভূমিকা রাখে। তাইতো, দিনের শুরুতে নাস্তার টেবিলে, ব্যায়াম শেষে, বাচ্চার টিফিনে, বয়ষ্কদের শারীরিক ক্ষয় রোধে এবং শরীরের প্রয়োজনীয় শক্তি ধরে রাখতে কলার উপস্থিতি থাকা চাই। কলা শুধু খেতে বা কর্নফ্লেক্সের সঙ্গে, পুডিং করে, মাফিন, কেক এমন কি কলার বড়া ভেজে খাওয়াও বেশ উপাদেয়।
কলা যেভাবেই খাই না কেন খোসাটি কিন্তু যায় সেই ডাস্টবিনে। গবেষণায় পাওয়া গেছে, কলার চেয়ে নাকি বেশি উপকার কলার খোসায়। এই কলার খোসাতেই থাকে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন এ- যা শুধু শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাই বাড়িয়ে তোলে না, যেকোনোও সংক্রমণ রুখতেও অত্যন্ত উপকারী। খোসার মধ্যে থাকা লুটিন নামক পদার্থ দৃষ্টিশক্তি বাড়াতেও উপকারী। এছাড়াও কলার খোসায় থাকা প্রচুর পরিমান অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখে। শরীরে রক্তচাপের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখে কলার খোসা।
যে খোসায় বেশি উপকার
জাপানের এক গবেষণায় দেখা গেছে সবুজ খোসার থেকে বেশি উপকারী হলুদ খোসা। এই খোসা রক্তে শ্বেতকণিকার পরিমান ঠিক রেখে ক্যানসার মোকাবিলা করতে পারে। সবুজ খোসার ক্ষেত্রে ১০ মিনিট খোসা সেদ্ধ করে খেলে উপকার পাওয়া যাবে। অন্যদিকে সবুজ খোসার মধ্যে থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড ট্রিপ্টোফ্যানের কারণে রাতে ভালো ঘুম হয়। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে সবুজ খোসার মধ্যে থাকা সিরোটোনিন অবসাদের মোকাবিলা করতেও সক্ষম। আবার ডোপামিনের সাহায্যে কিডনিতে রক্ত চলাচল ভালো হয়।
যেভাবে খাবেন
অনেক রকম ভাবে খাওয়া যায় কলার খোসা। এশিয়া ও ক্যারিবিয়ান দ্বীপগুলিতে কলার শাঁস ও খোসা প্রায় একসঙ্গেই খাওয়া হয়। এছাড়াও বানানা পিল টি বা বানানা পিল স্মুদি উইথ আইসক্রিমও স্বাস্থ্য সচেতনদের কাছে বেশি জনপ্রিয়। সেদ্ধ করে খোসা ভর্তা খাওয়া যেতে পারে। চাইলে ভাজি করেও কলার খোসা খাওয়া যেতে পারে। কলার খোসা ভাজি বেশ মুখরোচক।