ঢাকাWednesday , 29 July 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর
Link Copied!

readলাইফস্টাইল ডেস্ক : ব্যস্ততার এই শহরে সূর্য উঁকি দিতে না দিতেই রাস্তা ভরে যায় কর্মমূখী মানুষে। ইট, কাঠ, পাথরের শহরটি আবার নিয়ন আলোর বাতিতে ডুব দেয় ব্যস্ত রাস্তাঘাট বুকে করেই। সেই শহরে হাজারো মানুষের পাশাপাশি আপনার ছুটে চলা। পরিচিতের সংখ্যা সেখানে খুবই নগণ্য, আর তাদের কাছ থেকে সব সময় সঙ্গ পাওয়া যেন আরও কঠিন। আপনি নিজেও হয়তো কাজের চাপে অন্যকে সময় দিতে পারেন না। কিন্তু জনমুখর এই শূণ্যতা আপনার কষ্টের সবচেয়ে বড় কারণ। একাকিত্ব পেয়ে বসছে দিনের পর দিন। সে সুযোগে বিষণ্ণতা গ্রাস করতে পারে ভীষণভাবে। ঠিক এমন সময়ে আপনিই পারেন আপনাকে সঙ্গ দিতে। যেখানে আপনার জগৎ থাকবে সমৃদ্ধ। আনন্দ আর বৈচিত্র্য আপনাকে রাখবে উচ্ছ্বল। আর তাই-
* প্রথমেই ভাবুন তো, বন্ধু থাকলে কি করতেন- গল্প করতেন? অবসর সময়ে গল্প করার শখ হলে নিয়ে বসুন পছন্দের লেখকের বই। সেখানে থাকা চরিত্রগুলোর সঙ্গে মিশে যান। তাদের জীবনচরিত নিয়ে ভাবুন। কল্পনা করুন গল্পের পরিবেশ নিয়ে। ভালো লাগবে, সময় পার হবে। আঁকাআঁকির হাত থাকলে সাদা ক্যানভাসে দিয়ে দিন মনের মতো কিছু আঁচড়। মন দিয়ে ছবি আঁকতে থাকুন। সময় পার হবে সৃষ্টির মধ্য দিয়ে।
* সাইকেল চালানোর অভ্যাস থাকলে তাও করতে পারেন। ব্যায়ামের সঙ্গে সময় পার হবে সুন্দরভাবে। অন্যকোনো খেলার উপকরণ থাকলে তা নিয়েও খেলতে পারেন- সময় কেটে যাবে।
* ছোটদের সঙ্গে সময় কাটানোর অভ্যাস করতে পারেন। বাসার আশেপাশে পরিচিতের ছেলেমেয়েদের সঙ্গে সময় দিন। তাদের সঙ্গে শিশুসুলভ খেলা করুন। হাসি ঠাট্টায় মেতে থাকতে পারেন তাদের সঙ্গে। সময়টা নির্মল আনন্দেই পার হবে।
* সাজগোজ করুন নিজের জন্য। আয়নার সামনে বসে নানা ভাবে সাজগোজের অনুশীলন করতে পারেন। নিজের সাজের সৌন্দর্য নিজেকে মুগ্ধ করার ব্যাপারটি যেন চর্চার মধ্যে আসে। তবে দেখবেন সুন্দর করে সময়গুলো পার হয়ে যাচ্ছে। নিজেকেও বেশ পরিপাটি লাগবে। আত্মতৃপ্তি বজায় থাকবে।
* পছন্দের গান শুনতে পারেন। গানের সঙ্গে কল্পনার পৃথিবীতে উড়তে থাকুন। কল্পনায় রঙ লাগিয়ে দিন ইচ্ছামতো। নিজেকে ভাবুন তেমনিভাবে। আপনার কল্পনা যত বেশি শক্তিশালী হবে আপনি ততই সমৃদ্ধ হবেন। সেখানে নেই কোনো বাধা, নেই প্রতিরোধের আশঙ্কা।
* টিভি অনুষ্ঠান দেখতে পারেন। সময় কাটাতে আনন্দদায়ক যেকোনো অনুষ্ঠান কাজে দেবে।
* কর্মক্ষেত্রে কাজের সৌন্দর্য নিয়ে ভাবুন। কাজে নতুনত্ব আনার চেষ্টা করুন। এবার কর্মক্ষেত্রে ভাবনার বাস্তবায়ন করুন, দেখবেন কাজের সৌন্দর্য বেড়ে গেছে, আত্মতৃপ্তিও পাচ্ছেন।
* হস্তশিল্পের দিকে আগ্রহ থাকলে সেটাও করতে পারেন। নিজের ঘর সাজাতে পরিকল্পনা করুন। টুকিটাকি কাজের মধ্য দিয়ে কখন সময় যাবে টেরই পাবেন না।
* গুণীজনের উল্লেখযোগ্য বাণী পড়তে পারেন, সেগুলো নিয়ে ভাবতে পারেন। তার মমার্থ ঘাটতে আরও অনেক বই পড়তে পারেন। প্রযুক্তির এই যুগে আপনার গবেষণার উপাদান তো হাতের মুঠোই। তাই দেরি না করে যেকোনো বিষয় নিয়ে একেক দিন ঘাটাঘাটি করতে পারেন।
* আশেপাশের মানুষের সঙ্গে আপনার আচরণ কেমন হবে তারও একটি কাঠামো মনে মনে গড়ে নিতে পারেন। বিশেষ করে কর্মক্ষেত্রের আচরণ সুন্দর কাঠামোয় গঠিত হলে উন্নতি, সম্মান দুই-ই পাবেন।
* মূলত নিজেকে ভালো করে চেনা, সমৃদ্ধ করা এবং আত্মতৃপ্তি আনতে একাকিত্ব আশীর্বাদও বটে। এটাতে উপভোগ করতে শিখে নিলে আর কোনো কষ্ট থাকে না। ভাবতে শিখুন- ‘আমার বন্ধু আমি’। যেটুকু সময় বন্ধুদের সঙ্গ পান সেটুকুও অর্থবহ করতে আপনার এমন সমৃদ্ধ ব্যক্তিত্ব সহায়তা করবে।