লাইফস্টাইল ডেস্ক : ঈদের আমেজে সব খাবারই হয়েছে গুরুপাকে রান্না। একাধারে এমন খাবার খেয়ে অরুচি ধরেছে বেশ। তাই খাবারের স্বাদে চাই ভিন্নতা। এই সময় খাওয়ার আসল মজা যেন ভাজি ভর্তায় গরম ভাত। সেই ভর্তা যদি হয় সরিষার তেলে কই মাছের পাতুরি, তাহলে তো কথায় থাকে না। তাই আসুন শিখে নেয়া যাক কই পাতুরির রেসিপি।
যা যা লাগবে
মাঝারি আকারের কই মাছ ৩টি, কচি লাউপাতা ৬টি, পিঁয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ, কালোসরিষা আধা চা-চামচ, রসুন ২ কোয়া, হলুদগুঁড়া আধা চা-চামচ, মরিচগুঁড়া আধা চা-চামচ, কাঁচামরিচ ৭ থেকে ৮টি, লবণ স্বাদমতো, সরিষার তেল আধা কাপ।
যেভাবে করবেন
লাউ পাতার আঁশ ফেলে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। মাছ ধোয়ার পর দুইপিঠ চিরে রাখতে হবে যাতে মসলা ঠিকমতো ঢোকে। পিঁয়াজ, রসুন, সরিষা, হলুদ ও মরিচগুঁড়া আর অর্ধেক কাঁচামরিচ একসঙ্গে বেটে নিতে হবে। মসলার সঙ্গে লবণ আর কিছুটা সরিষার তেল মিশিয়ে নিন। মাখানো মসলার মধ্যে কই মাছগুলো দিয়ে ভালো করে মেখে আধা ঘণ্টা রেখে দিতে হবে। এবার ২টি করে লাউপাতা বিছিয়ে তাতে মসলায় মাখা কই মাছ সঙ্গে দুটি কাঁচামরিচ দিন। পাতার চারপাশ থেকে এমনভাবে পেঁচিয়ে নিতে হবে যাতে প্যাকেটের মতো দেখায়। পরিষ্কার সুতা পেঁচিয়ে বেঁধে নিতে হবে যাতে পাতা খুলে মসলা বা মাছ বের না হয়ে আসে।
এভাবে সবগুলো কই মাছ পাতায় পেঁচিয়ে নিন। শাকের পরিমাণ বেশি চাইলে পাতা ৩টি করেও দিতে পারেন। এবার একটি প্যানে তিন থেকে চার চা-চামচের মতো সরিষার তেল দিয়ে লাউ পাতায় মোড়া মাছগুলো সুন্দর করে পাশাপাশি বিছিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। মাঝারি আঁচে সাত থেকে আট মিনিট পর সাবধানে উলটে দিন। এভাবে আরও বেশ কয়েক বার উল্টেপাল্টে দিতে হবে যাতে পুড়ে না যায়। এভাবে ২৫ থেকে ৩০ মিনিট পর নামিয়ে নিতে হবে। পাতা থেকে সুতা খুলে মাছের কাটা বেছে নিন। এবার তা পাটায় বেটে ভর্তা করলেই হয়ে গেল কই পাতুরি। এবার গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন মজাদার কই পাতুরি।

