ঢাকাMonday , 22 June 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কর্ণফুলী গ্যাসের সাবেক এমডিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

Link Copied!

Dudakচট্টগ্রাম প্রতিনিধি : নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (কেজিডিসিএল) সাবেক দুই ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার বেলা ১২টার দিকে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ঋতিক সাহা চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ মডেল থানায় বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলা নং ২৭।
মামলায় অপর চার আসামি হলেন- কেজিডিসিএল’র সাবেক ব্যবস্থাপনা (এমডি) পরিচালক জামিল আহমেদ আলীম, সাবেক মহাব্যবস্থাপক (জিএম) চৌধুরী আহসান হাবীব, সাবেক ব্যবস্থাপক আব্দুল্লাহ আলম মামুন এবং বর্তমানে উপ মহাব্যবস্থাপক (ডিএমডি) পদে কর্মরত আমির হামজা।
মামলার এজাহারে আসামিদের বিরুদ্ধে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডে জনবল নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার এজাহারে আসামীদের বিরুদ্ধে ১০৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় অভিযোড় আনা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে পাঁচলাইশ থানার ওসি মহিউদ্দিন মাহমুদ বলেন, ‘বেলা ১২টার দিকে দুদক ঢাকা কার্যালয়ে উপ পরিচালক ঋতিক সাহা বাদী হয়ে কর্ণফুলী গ্যাস কোম্পানির সাবেক দুই এমডিসগ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা রেকর্ড থানায় রেকর্ড হয়েছে। এটি এখন দুদকই তদন্ত করবে।’
দুদক সূত্র জানায়, ২০১০ সাল থেকে ২০১৪ সালের অক্টোবর মাস পর্যন্ত অভিযুক্ত আসামীরা নোনা অনিয়মের মাধ্যমে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ১৪৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দিয়েছে। বাংলাদেশ গ্যাসফিল্ড কোম্পানির নিয়োগের ক্ষেত্রে পরিচালনা পর্ষদের অনুমতি পর্যন্ত নেওয়া হয়নি। কোম্পানির মহাব্যবস্থাপকের নেতৃত্বে কমিটির নিয়োগসংক্রান্ত সভায় তিনটি পদের জন্য ৩১টি শূন্যপদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত হলেও শেষ পর্যন্ত নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ১৪৩ জন। নিয়োগের ক্ষেত্রে জেলা কোটা, মুক্তিযোদ্ধা কোটা, প্রতিবন্ধী কোটা এবং নারী কোটা যথাযথভাবে মানা হয়নি। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ থাকলেও কম্পিউটার অপারেটর পদের মূল্যায়নে অভিজ্ঞতার জন্য কোনো নম্বর দেওয়া হয়নি। জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে আগের নীতিমালা অনুযায়ী লিখিত পরীক্ষার জন্য ৫০ নম্বর, মৌখিক পরীক্ষায় ১৫ আর শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে ৩৫ নম্বর নির্ধারিত ছিল।
অনুসন্ধানে আরও উঠে এসেছে, পছন্দের প্রার্থীদের নিয়োগ দিতে নীতিমালা পরিবর্তন করে লিখিত পরীক্ষার ক্ষেত্রে ৪০ নম্বর, শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে ১৫ ও মৌখিক পরীক্ষার জন্য ৩৫ নম্বর নির্ধারণ করে নতুন নীতিমালায় প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়। মেধাবী প্রার্থীরা লিখিত পরীক্ষায় ৪০ নম্বর পেয়েও চাকরি পাননি। পছন্দের প্রার্থীরা লিখিত পরীক্ষায় ১৫-২০ নম্বর, মৌখিক পরীক্ষায় ৩৫ নম্বর পেয়েও চাকরি পেয়েছেন। তবে মামলার জন্য করা করা সুপারিশে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান ড. হোসাইন মনসুরের নাম থাকলেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাদ দিয়েই মামলা করেছে দুদক।